সূর্যোপুরে cpm নেতা লাহেক আলি গ্রেফতার - cpim বলছে উদ্দেশ্য প্রনোদিত
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আবার ধর পাকড় শুরু হয়েছে সূর্যপুর কাণ্ডের দোষীদের। পুলিশ ঘটনায় উস্কানি দেবার জন্য গ্রেফতার করেছে এলাকার প্রভাবশালী cpm নেতা লাহেক আলিকে। এবার সূর্যপুরে অশান্তির ঘটনায় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জন্য গ্রেফতার করা হল সিপিএম নেতা তথা ছাব্বিশের নির্বাচনে বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী লাহেক আলিকে। রবিবার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। লাহেক আলির গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। সিপিএমের দাবি, ধর্ষণের প্রতিবাদ করাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের দলের নেতাকে। বিজেপির পাল্টা দাবি, এলাকায় হিংসা ছড়ানো ও গণপিটুনিতে উস্কানি দিয়েছেন ওই সিপিএম নেতা।বারুইপুরে ১১ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। সূর্যপুরে এক যুবকের মৃত্যু হয় গণপিটুনিতে।
সিপিএম নেতা লাহেক আলি, সুজন চক্রবর্তীদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগ দায়ের হয় বারুইপুর থানায়। ওই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বারুইপুরে নাবালিকাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুনকাণ্ডে জড়িতদের যেমন কঠোর শাস্তি হবে। তেমনই সূর্যপুরে অশান্তির ঘটনায় জড়িত ও প্ররোচনা যাঁরা দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। লাহেক আলির বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য, হিংসায় ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক অভিযোগ ছিল। এদিন তাঁকে গ্রেফতার করে বারুইপুর জেলা পুলিশ। গ্রেফতারের পর নিয়ে যাওয়া হয়েছে নরেন্দ্রপুর থানায়। ধৃত সিপিএম নেতাকে আগামিকাল আদালতে তোলা হবে।সূর্যপুরে অশান্তির ঘটনায় এর আগে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হলেও এই প্রথম কোনও রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ছাব্বিশের নির্বাচনে লাহেক আলি বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট প্রার্থী ছিলেন। তবে হেরে যান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সূর্যপুরে নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর এলাকায় বিক্ষোভের সময় রাস্তা অবরোধ, ভাঙচুর, পুলিশকর্মীদের উপর হামলা এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।