Type Here to Get Search Results !

বিদ্রোহী তৃণমূলীদের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অভিষেক বললেন,'আপনারা সবাই ফিরে আসুন, আমি ১ ঘন্টার মধ্যে পদত্যাগ করবো'

 বিদ্রোহী তৃণমূলীদের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অভিষেক বললেন,'আপনারা সবাই ফিরে আসুন, আমি ১ ঘন্টার মধ্যে পদত্যাগ করবো'



  এবার উভয় সংকটে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির। তিনি আরো বলেন, কালীঘাট ছেড়ে চলে যাওয়া কোনও নেতা যদি ফিরে আসেন তাহলে এক ঘণ্টার মধ্যে তিনি পদত্যাগ করে দেবেন। ঠিক এই ভাষাতেই শনিবার কুণাল ঘোষেকে পাশে নিয়ে বিদ্রোহী তৃণমূলীদের সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছব্বিশের বিধানসভা ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছিল ৪ মে। ক্ষমতা হরায় তৃণমূল। এরপরই সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়তে শুরু করেন নানা স্তরের জনপ্রতিনিধি ও একদা মমতার বলয়ে থাকা তাবড় নেতারা। কাকলী ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো কুড়ি জন সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকের পর যোগ দেন NCPI-তে। অন্যদিকে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা আবার এক ধাপ এগিয়ে নিজেদের ‘আসল’ তৃণমূল বলে দাবি করেন। তৈরি করেন ‘নব তৃণমূল ব্লক’।


  পরে যত সময় এগোয় দেখা যায় এক সময়ের মমতার ভরসার প্রায় সব পাত্র-পাত্রীরা দলে দলে গিয়ে ভেড়েন সেই ঋত-তৃণমূলে। কিন্তু এদের সকলের মধ্যেই একটি জিনিসই খুব ‘কমন’ ছিল। প্রত্যেকেই মমতার সঙ্গ ছাড়ার আগে বিস্তর ক্ষোভ উগরেছেন অভিষেকের বিরুদ্ধে। কেউ বলেছেন, অভিষেক দলকে হারিয়েছেন। আবার কেউ বলছেন, অভিষেক ও আইপ্যাকের জন্য দল শেষ হয়েছে। কারও আবার মত, এই অভিষেকের বিরাট ঔদ্ধ্ত্য। তাঁরা সুপ্রিমো মমতার সঙ্গে দেখা করতে পারতেন না ইত্যাদি ইত্যাদি। এক কথায় সব বিদ্রোহীদের ‘কমন টার্গেট’ ছিলেন অভিষেক। তিনি বলে বসলেন, “আপনাদের মধ্যে কেউ একজন ফিরে আসুন। আমি ১ ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দিয়ে দেব।” তাঁর সংযোজন, “যাঁদের সমস্যা রয়েছে তাঁদের বলছি, ওঁরা বলছে হারের দায় আমার। তাহলে যখন দল জিতেছিল তার দায়ও আমারই হয়েছিল। আমায় নিয়ে যাঁদের সমস্যা তাঁদের বলছি। মানুষ বোকা নয়। আজ ১৮ তারিখ, আপনি ১৯ তারিখ, ২০ তারিখ যেদিন আসার আসুন। আজ চলে আসুন। আপনারা ফিরুন আমি ১ ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দেব।”

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.