শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সুদীপের - জল্পনা তুঙ্গে
সংসদে বাদল অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই হঠাৎ তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সাক্ষাৎ করলেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। স্বাভাবিক কারণেই চাপ বাড়লো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সর্বদল বৈঠকের ঠিক আগের সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার তাঁর বাসভবনে গিয়ে দেখা করলেন তৃণমূলত্যাগী এনসিপিআই সাংসদ। তিনি এনসিপিআইয়ের তরফে লোকসভার দলনেতাও। সংসদের বাদল অধিবেশনের আগে মোদি-সুদীপের এই সাক্ষাৎ নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা। এখনও লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এনসিপিআই-কে আলাদা দলের স্বীকৃতি দেননি। শুধুমাত্র এনডিএ-র শরিক হিসেবে আসন্ন বাদল অধিবেশনে এনসিপিআইয়ের ২০ সাংসদকে বসার আলাদা জায়গা দেওয়া হয়েছে। তবে কি সেই স্বীকৃতি আদায়ে তৎপর হয়েই সুদীপ সরাসরি মোদির দ্বারস্থ হলেন? এ বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।
রবিবার সর্বদল বৈঠকে কেন্দ্রের শাসকদলের তরফে ডাক পেয়েছে এনসিপিআই। শনিবার সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের নামে চিঠি পাঠিয়েছেন। তাতে তাঁদের দলবদলের বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন। এরপর সন্ধ্যা নাগাদ সংসদীয় সচিব একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন, যাতে কোন দলের কতজন সাংসদ অধিবেশনে অংশ নেবেন, তা উল্লেখ করা হয়েছে। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেখানে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের জায়গায় লেখা ২৮ জন সাংসদ, পরে নির্দিষ্ট চিহ্ন দিয়ে লেখা – ২০ জন আলাদা আসনে বসবেন। তবে কি এখনই আলাদা দলের স্বীকৃতি পাচ্ছে না এনসিপিআই? অথচ তাঁরা তৃণমূলেরই সাংসদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন, ব্যাপারটা কেমন? এনিয়ে বিস্তর ধোঁয়াশা তৈরি হয়।
