"জাতীয় শিক্ষানীতির অন্তর্গত সমস্ত শিক্ষাকে আমরা উচ্চস্তরে নিয়ে যাবো " - শুভেন্দু
এবার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে নতুন সরকার। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, শিক্ষা কখনো পণ্য নয়, মানুষের জীবনের সার্বিক বিকাশে শিক্ষাকে ব্যবহার করতে হবে। শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলেন, শিক্ষাকে পণ্য হতে দেবো না। শিক্ষাক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় নিয়ে বিকাশ ভবনে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকে ছিলেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মণ এবং রাজ্যের স্কুল ও উচ্চশিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। আর ওই বৈঠকের পরই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিলেন, শিক্ষাকে তাঁরা পণ্য করতে দেবেন না। শিক্ষাক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় নিয়ে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যে যে সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) পেয়েছে, সেখানে পরিদর্শন করা হবে।
আর সেই পরিদর্শনের সময় যদি দেখা যায়, ফি, কাঠামো-সহ সব কিছু ঠিক রয়েছে, তাহলে আগামী দিনে আবার তাদের অনুমতি দেওয়া হবে। তারপরই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, “শিক্ষাকে আমরা পণ্য করতে দেব না। আর জাতীয় শিক্ষানীতির অন্তর্গত এই শিক্ষাকে আমরা উচ্চমানের শিক্ষায় নিয়ে যাব।” তৃণমূল আমলে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি রোধে পদক্ষেপের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে রাজনীতিমুক্ত করতে এসএসসি-র চেয়ারম্যান করা হয়েছে একজন আইএএস-কে। শিক্ষক নিয়োগ কবে হবে, সেই প্রশ্ন বারবার উঠছে। এদিন এই নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ওবিসি সংরক্ষণের জটিলতায় নিয়োগ প্রক্রিয়া কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। সেজন্য ওবিসি সংক্রান্ত আইন বিধানসভায় পাশ করা হয়েছে। আগের তৃণমূল সরকার যে ভুল করেছিল, সেটা প্রথমে ঠিক করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, সুপ্রিম কোর্টে ওবিসি সংক্রান্ত যে মামলা আগের সরকার করেছিল, সেখান থেকে বর্তমান সরকার সরে আসবে। আজকে মেনশন করা হয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা থাকবে না। তিনি বলেন, “যে ৬ হাজারের মৌখিক হয়ে গিয়েছে, আর যে ৬ হাজারের মৌখিক বাকি রয়েছে, সেটা হয়ে যাবে। আর আমাদের সংকল্পপত্র অনুসারে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও রাজনীতির লোক থাকবে না।”