Type Here to Get Search Results !

কেশরগড়ে পঞ্চকোট রাজবাড়ির রথের জৌলুস ফেরাতে উদ্যোগী রাজ্য

কেশরগড়ে পঞ্চকোট রাজবাড়ির রথের জৌলুস ফেরাতে উদ্যোগী রাজ্য



  বাংলার বিভিন্ন প্রান্তের যে রথের উৎসবগুলো আগে ছিলো, কিন্তু সময়ের গতিয়ে তা হারিয়ে গেছে, সেই সব রথের অনুষ্ঠানকে আবার ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিয়েছে নতুন সরকার। তারমধ্যে একটি হলো কেশরগড়ে পঞ্চকোট রাজবাড়ির রথের অনুষ্ঠান। রাজধানী স্থানান্তর হয়ে যাওয়ার পর পঞ্চকোট রাজ পরিবারের রথের চাকা গড়িয়েছিল ঠিকই। কিন্তু সেই জাঁকজমক ছিল না। কারণ সেই রথ কোনক্রমে চালাতেন পঞ্চকোট রাজ পরিবারের অতীতের রাজধানীর সাধারণ মানুষজন। পরবর্তীকালে বন্ধ হয়ে যায় রথ। ১৯০ বছর পর ২০২২ সালে ফের তা শুরু হলেও বর্তমানে অর্থনৈতিক সঙ্কটে জর্জরিত মহাপ্রভুর রথ! তবে এবার পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ও কাশীপুরের বিধায়ক কমলাকান্ত হাঁসদার হস্তক্ষেপে কাটছে অর্থনৈতিক দুর্দশা। পঞ্চকোট রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠা করা ওই রথের পুনরুজ্জীবনে কেশরগড় রথযাত্রা কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করল রাজ্য। সোমবার নবান্ন থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যজুড়ে একাধিক রথযাত্রা কমিটিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এদিন ভার্চুয়ালি বিভিন্ন জেলা প্রশাসন এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিল। পুরুলিয়া জেলাশাসক কার্যালয়ে রথ যাত্রার ওই চেক প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক সুধীর কোন্থম ও পুলিশ সুপার কুমার শানি রাজ। 


  এই রথযাত্রা কমিটির উপদেষ্টা বঙ্কিম চক্রবর্তী বলেন, “সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ও বিধায়ক কমলাকান্ত হাঁসদার জন্যই আমাদের ধুঁকতে থাকা রথ আবার জৌলুষ ফিরে পাবে। রাজ্য সরকারের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।” এদিন ওই চেক প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক কমলাকান্ত হাঁসদা।পঞ্চকোট রাজপরিবারের ষষ্ঠ রাজধানী ছিল এই কেশরগড়। আজও ওই কেশরগড়কে ঘিরে রয়েছে রাজ পরিবারের নানান কথা, স্মৃতি এবং স্থাপত্য। কিছুদিন আগে কেশরগড় ঘুরে যান পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। সেই সময় রথযাত্রা কমিটির অর্থনৈতিক সঙ্কটের কথা বলেছিলেন। এভাবে যে রথযাত্রা কমিটিকে আর্থিক সহায়তা করা হবে তা কমিটির সদস্যরা ভাবতেও পারেননি।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.