দপ্তর ও তহবিল ঋতব্রতদের পক্ষেই থাকবে - রায় আদালতের
এই মুহূর্তে ভীষণ সংকটে মমতা। একে একে প্রায় সকলেই তাকে ছেড়ে চলে গেছে, তারমধ্যে আদালতের রায়ে দপ্তর ও তহবিলও হাতছাড়া হতে চলেছে মমতা তৃণমূলের। এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতেই বিচারকের উদ্দেশে কুমন্তব্যের অভিযোগ উঠল মমতার আইনজীবীদের বিরুদ্ধে। অসংসদীয় ভাষায় তাঁকে গালিগালাজ করা হয়েছে বলেই দাবি বিচারকের। মমতার আইনজীবীদের অভিযোগ, একতরফাভাবে ঋতব্রত শিবিরের পক্ষে রায় দিয়েছেন বিচারপতি। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবিতে জেলা জজের দ্বারস্থ বিচারক। ছাব্বিশের ভোটে গোহারা হারের পর তৃণমূল কংগ্রেস পরিবার ভেঙে তছনছ হয়ে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃ্ত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূল ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু, দলের অভ্যন্তরের ‘বিদ্রোহে’ জেরবার। আর উলটোদিকে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ‘আসল’ তৃণমূলের ঘর ভরে উঠছে। যত সময় যাচ্ছে, মমতাকে একা করে একে একে তৃণমূল নেতারা ভিড়ছেন ঋতব্রত শিবিরে।
তাতে চূড়ান্ত বিভ্রান্ত হয়েছিলেন সাধারণ কর্মীরা। তাঁরাই আলিপুর আদালতে মামলা করেন। আদালত জানায়, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের দলটাই ‘আসল তৃণমূল’। অরূপ রায় যে দলের সর্বভারতীয় চেয়ারপার্সন, সেটাই দলের আসল পরিচয়। গত ১২ জুলাই সাংবাদিক বৈঠক করে ঋতব্রত সেকথা জানান। ঋতব্রতর প্রতিক্রিয়া, ‘‘আমরা যে দাবি করেছিলাম, আদালত তাকেই সিলমোহর দিয়েছে। নিয়মনীতি মেনে পার্টির ফান্ড, নাম – এসব আমরা ছাড়া অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারবে না। যারা পার্টি অফিসগুলোয় জোর করে ঢুকতে যাবেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনত পদক্ষেপ করব। মগের মুলুক চলবে না।”
