কোনো অপরাধীকে বাইরে রাখা যাবে না - বারুইপুর এনকাউন্টার প্রসঙ্গে প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য
শমীক ভট্টাচার্য বারুইপুর এনকাউন্টারকে সমর্থন করে বলেছেন, কোনো অপরাধীকে বাইরে রাখা যাবে না, হয় জেলে অথবা উপরে। প্রশ্ন উঠেছে - কে অপরাধী তা ঠিক করবে কে? পুলিশ, মুখ্যমন্ত্রী না আদালত?
বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্তের এনকাউন্টারের ঘটনাকে সমর্থন করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে দিলেন অপরাধীকে রেয়াত করা হবে না। বুধবার তিনি বলেন, “কোনও অপরাধী, ধর্ষককে ছেড়ে রাখা যাবে না। ভোটের আগে বিজেপি রাজ্যের মহিলাদের সামনে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এই বার্তা দিয়েছিলেন। আমাদের সংকল্পপত্রে যা ছিল, তা আমরা করেছি।” এনকাউন্টারের সমর্থনে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়ে তিনি আরও বলেন, “সরকার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। কোনও অপরাধীকে আর ছেড়ে রাখা যাবে না। রাজনৈতিক নেতার আশীর্বাদে আর কেউ বাঁচতে পারবে না। অপরাধী হয় জেলে থাকবে, না হলে আকাশে।” কামদুনি-কাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে আগের তৃণমূল সরকারকে নিশানা করে শমীক বলেন, “কামদুনিতে যে অপরাধ হয়েছে, সেখানে তৃণমূলের কী ভূমিকা ছিল? অপরাধীকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। যারা খুন করেছে, যারা গণধর্ষণ করেছে, তাদের পাতাল থেকেও খুঁজে বের করা হবে। অপরাধীদের স্থান হয় জেলের ভেতরে না হলে আকাশের ওপরে।”
এদিকে, অপরাধ করলে পার পাওয়া যাবে না, বিচার হবেই বলে মন্তব্য করেছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনে এক অভিযুক্তের ‘এনকাউন্টার’ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে পুরমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা ভাবছেন পার পেয়ে যাবেন, কেউ বাঁচাতে পারবে না।” তাঁর কথায়, কেউ ধর্ষণ করেছে। ধরা হয়েছে। রিকনস্ট্রাকশনের সময় সে চালাকি করে পালানোর চেষ্টা করছে তখন তাকে মারা হয়েছে। এনকাউন্টারের বিরোধিতা যাঁরা করছেন, তাঁদের কটাক্ষ করে পুরমন্ত্রীর প্রশ্ন, “ওঁরা কি তা হলে ধর্ষণের ঘটনা সমর্থন করছেন।” বারুইপুরের এনকাউন্টার ‘দৈববিচার’, বলে দাবি করেছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার।