অভিষেকের মুখে আবার হুমকি
কথায় আছে 'স্বভাব যায় না মরলে'! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থা অনেকটা সেই রকম। বর্তমান পরিস্থিতিতে কোথায় একটু চুপ চাপ থাকবে, তা না এখনও রীতিমত অভিষেকের গলায় হুমকির সুর। আমতলায় দলের ‘বেআইনি’ কার্যালয় ভাঙতেই অগ্নিশর্মা ডায়মন্ড-হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। অভিযোগ, বেআইনি ভাবে দখল করে এই তৃণমূলের পার্টি অফিসটি গড়ে উঠেছিল। সংশ্লিষ্ট পার্টি অফিসটির বিষয়ে অভিযোগ জমা পড়তেই জেলা প্রশাসনের তরফে পাঠানো হয় নোটিস। সেই নোটিস অনুযায়ী হাজির না হওয়ায় শনিবার তিনটি বুলডুজার ভেঙে দেয় সেই কার্যালয়। এরপরই এ বিষয়ে বিকেলে মুখ খুললেন এলাকার তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বললেন, “প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।” পালা বদলের পর একটা নয় অভিষেকের ঘাড়ে ঝুলছে একাধিক মামলা। জেলা-কলকাতা সব জায়গায় বিভিন্ন অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে FIR হয়েছে। এর মধ্যে তাঁর ‘ডিজে বাজানো’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় বেশ জর্জরিত অভিষেক।
এমতাবস্থায় এদিন আমতলার তৃণমূল পার্টি অফিস ভাঙার প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া চাওয়া হলে সংবাদ মাধ্যমের সামনে দৃশ্যতই ক্ষুব্ধ অভিষেক জানিয়ে দেন, ২০৩১-এ তাঁরা ক্ষমতায় ফিরলে ঠিক একই ভাবে মামলা-মোকদ্দমা ও আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে বিজেপি নেতারা যেন ভুলে না যান।” আমতলার এই পার্টি অফিসটির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অভিষেক বলেন, “যদি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দয়ায় বেঁচে থাকি, যে আইনের যে ধারায় আপনারা এই অত্যাচারগুলো করেছেন, একই আইনের একই ধারায় ৩১ ফিরিয়ে দেব সুদ সমেত। কথা দিয়ে গেলাম।” তৃণমূল সাংসদের অভিযোগ সুরে বলেন, ” এর পিছনে বিজেপি নেতারই রয়েছেন। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদত রয়েছে। তাঁদের প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এখন যদি ভিতরে কিছু প্লান্ট করে দেওয়া হয় তার দায় কার?”
