Type Here to Get Search Results !

তারাপীঠ আজ যেন কংক্রিটের জঞ্জালে ঘেরা

 তারাপীঠ আজ যেন কংক্রিটের জঞ্জালে ঘেরা  



   যেকোনো মুহূর্তে আবার বড়ো ঘটনা ঘটতে পারে। নেই সামান্যতম নিরাপত্তার ব্যবস্থা। হোটেলগুলো কোনো নিয়ম মেনে হয় নি। এমন সরু গলিতে বহু হোটেল আছে যেখানে আগুন লাগলে দমকলের গাড়ি ঢুকতে  পারবে না। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের ভিড়। তার সঙ্গে গজিয়ে উঠেছে একের পর এক হোটেল, লজ। সেই সংখ্যাটা এখন প্রায় ৪০০। কিন্তু, তারাপীঠের সেই হোটেল, লজগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি যথাযথ রয়েছে? গতকাল একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর এই প্রশ্ন ফের উঠেছে। হোটেলগুলিতে কোনও ঘটনা ঘটলে দমকলের গাড়ি যে ঢুকতে পারবে না, তা স্বীকার করছেন বেশিরভাগ হোটেল, লজের মালিকই। স্থানীয় বাসিন্দারাও নানা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। বেশিরভাগ হোটেলেই নেই অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র। এমার্জেন্সি এক্সিট। খুব কম সংখ্যক হোটেলে মানা হয়েছে প্রশাসনের নিয়ম। কোথাও রাস্তা দখল করে, কোথাও নদী দখল করে, কোথাও বা পুকুর দখল করে গজিয়ে উঠেছে হোটেল এবং লজ। 


  যে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র রয়েছে সেটা মেয়াদ উত্তীর্ণ। ধরা পরল টিভি বাংলার ক্যামেরায়। একটি হোটেলে একটি মাত্র অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র রয়েছে, তাও মেয়াদ উত্তীর্ণ। একটি হোটেল থেকে আর একটি হোটেলের ন্যূনতম যে দূরত্ব রাখার কথা, তা নেই। সরকারি নিয়ম বলছে, যদি পাঁচ তলা কোনও হোটেল হয়, সেই হোটেলের পাশে পাঁচ ফুট রাস্তা ছাড়তে হবে। এখানে দেখা যাচ্ছে, কোথাও এক ফুট, কোথাও বা দু’ফুট রাস্তা রয়েছে। খুব বেশি হলে ৩ ফুট রাস্তা। এই সব দেখেও তৎকালীন টিআরডিএ (তারাপীঠ রামপুরহাট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি) কমিটির সদস্যরা কোনও পদক্ষেপ করেননি বলে অভিযোগ। এই সমস্ত হোটেলে অডিট হবে জানিয়েছেন রাজ্যের দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। আর এইসব নিয়ম না মেনে গজিয়ে ওঠা হোটেলের মাঝে অসুবিধায় পড়েছে স্কুল। তারাতীর্থ বিদ্যামন্দির উচ্চবিদ্যালয় নামে এই এলাকায় একটি স্কুল রয়েছে। ১৯৭৩ সালে স্কুলটি স্থাপিত হয়। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা আতঙ্কিত। কারণ স্কুলের প্রধান রাস্তাতে ঢুকতে পারবে না দমকলের গাড়ি। রাস্তা এতটাই সরু, ছোট চার চাকা গাড়িও ঢোকা অসম্ভব।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.