বিরোধী দলনেতা কে - ঋতব্রত না শোভনদের? আদালতে এখনও নিষ্পত্তি হলো না
সংখ্যা গরিষ্ঠতার দিকে তাকিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মান্যতা দিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ। কিন্তু এতো দ্রুত আদালত এই সিদ্ধান্ত মানতে রাজী না। আদালতের কাছে আরো কিছু যুক্তি বিবেচনার মধ্যে আছে। ফলে আরো সময় লাগবে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়? কাকে দেওয়া হবে এই পদ, তা নিয়ে জটিলতা রয়েই গেল। তবে ডিভিশন বেঞ্চ থেকে মামলা ফিরল সিঙ্গল বেঞ্চে।
বিরোধী দলনেতা সংক্রান্ত মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চ কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি। পরে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তবে ডিভিশন বেঞ্চও ওই মামলায় কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল না। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, আগামী দু’মাসের মধ্যে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায় বিরোধী দলনেতা কি না, সেই বিষয়ে সিঙ্গল বেঞ্চ সিদ্ধান্ত নেবে। তবে ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য, এখনও এই বিরোধী দলনেতা বাছাই নিয়ে কিছু প্রশ্ন রয়েছে।
তাই সিঙ্গল বেঞ্চে হলফনামা দিতে বলা হয়েছে উভয়পক্ষকে। মামলায় আদালত বেশ কিছু বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। সেই বিষয় নিষ্পত্তি করবে একক বেঞ্চ। তবে আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ না আসায়, কিছুটা স্বস্তিতে ঋতব্রত শিবির। আপাতত তিনিই বিরোধী দলনেতা হিসেবে থাকছেন। আদালতের রায় প্রসঙ্গে ঋতব্রত বলেন, “কল্যাণবাবু স্টে চেয়েছিলেন। কোর্ট দেয়নি। এটা থেকে পরিষ্কার যে, আমরা যাতে কাজ না করতে পারি, তার জন্য প্রাণপাত করছে কালীঘাট শিবির।