বিনোদন
উত্তমকুমার ও শামি কাপুরের মধ্যে নিবিড় বন্ধুত্ব থাকলেও শামি চাননি উত্তম মুম্বাইয়ে যাক
উত্তমকুমার মানেই উত্তম কুমার। তিনি যেখানেই যাবেন সেখানেই নিজেকে প্রতিষ্ঠা করবেন - শামি কাপুর তা ভালোভাবেই জানতেই। ছয়ের দশকে কাজের সূত্রে কিংবা ব্যক্তিগত সফরে শাম্মি কাপুর যখনই তিলোত্তমায় আসতেন, উত্তম কুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং তাঁর নতুন ছবি দেখা ছিল কার্যত বাধ্যতামূলক। মহানায়কের অভিনয়ের প্রতি শাম্মির এই বিশেষ টান তৈরি হয়েছিল তাঁর অসামান্য অভিনয় দক্ষতা দেখে। তবে শাম্মি কাপুরের মনে এক গভীর সংশয় কাজ করত। তিনি অন্তর থেকে বিশ্বাস করতেন, উত্তম কুমারের মতো বিরল ও সূক্ষ্ম প্রতিভাকে মূল্যায়ন করার মতো দূরদর্শিতা তৎকালীন বম্বে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ছিল না।
শাম্মির সেই আশঙ্কা যে কতটা সত্যি ছিল, তা প্রমাণিত হয় ১৯৬৭ সালে। সেই বছর উত্তম কুমারের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা থেকে বিপুল ব্যয়ে মুক্তি পেয়েছিল ‘ছোটি সি মুলাকাত’। কিন্তু বিপুল প্রত্যাশা সত্ত্বেও বক্স অফিসে চরম ব্যর্থতার মুখোমুখি হয় ছবিটি। সেই বাণিজ্যিক বিপর্যয়ের পরেই শাম্মি কাপুর আক্ষেপ প্রকাশ করে মন্তব্য করেছিলেন, “উত্তম কুমারের মতো অসাধারণ প্রতিভার সঙ্গে সুবিচার করা হিন্দি সিনেমার পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়। ওঁর আসল সাম্রাজ্য বাংলা সিনেমাই।”