কন্যা-রত্ন প্রকল্পে আর্থিক অনুদান বাড়াল রাজ্য
শেক্সপিওর বলেছিলেন, 'নামে কি আসে যায়।' কিন্তু সত্যি কি তাই! নামে যে অনেক কিছু আসে যায় তা বার বার করে প্রমাণ করছেন বাংলার নতুন শুভেন্দু সরকার। মমতার প্ৰিয় 'কন্যাশ্রী প্রকল্প' নাম নাম পাল্টে নতুন সরকার রেখেছেন 'কন্যারত্ন প্রকল্প'। এবার কন্যা-রত্ন প্রকল্পে আর্থিক অনুদান বাড়াল রাজ্য। তৃণমূল সরকারের আমলে এক হাজার টাকা দেওয়া হত ছাত্রীদের। এবার তা বাড়িয়ে দুই হাজার করা হল। তবে, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এই অনুদান মিলবে। আজ, ১৪ অগস্ট কন্যা-রত্ন (Kanya-Ratna) দিবসে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে, এদিন রাজ্যে মেয়েদের জন্য ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’-সহ একাধিক প্রকল্প চালু করা হয়েছে। শুক্রবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে কন্যা-রত্ন দিবস পালন করে রাজ্য সরকার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, মন্ত্রী মালতী রাভা-সহ বিশিষ্টরা। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, “বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ভাবনায় নারী শিক্ষার প্রসার, নারী শিক্ষার ক্ষমতায়নে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের ৮ মাসের বাজেট কর্ম সংস্থানের ক্ষেত্রে মহিলাদের অগ্রাধিকার দেওয়া থেকে শুরু করে, নারী শিক্ষা, মহিলা কলেজ, উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়,মহাবিদ্যালয়, কোনও ছাত্রী যাতে মাঝপথে পড়াশোনা না ছেড়ে যেতে পারেন, তার জন্য সমস্ত আর্থিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”
বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও প্রকল্প নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও সমস্ত রাজ্যে এই কর্মসূচি থাকলেও আমাদের রাজ্য এতদিন যুক্ত হয়নি। আমরা এবার যুক্ত হলাম। কন্যাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিলাম। আমাদের ছাত্রীরা শিক্ষা ক্ষেত্রে, সমাজকে শক্ত পোক্ত করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিক।”শুভেন্দুর কথায়, “কন্যারা আগামী দিনে মাতঙ্গিনী হাজরার ভূমিকা নিক, আমরা এটাই চাইব।” এরপরই তিনি জানান, বিগত সরকারের যে কর্মসূচি ছিল, ছাত্রীদের অর্থপ্রদান, এবার সমপরিমাণ দেওয়া হচ্ছে। এবার পাচ্ছে ২০ লক্ষের বেশি। বিদ্যালয়গুলি ভেরিফিকেশন করে আজ ১০ লক্ষের বেশি দেওয়া হচ্ছে। ৪০০ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে।”