তারাপীঠের আগুনের ঘটনায় শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর
শ্রাবন মাসের শেষ সোমবার। তারাপীঠে নেমেছিল ভক্তের ঢল। সেই পরিস্থিতিতেই সোমবার একদম ভোর রাতে একটা বেসরকারি হোটেল আগুন লেগে ৭ জনের প্রাণ যায়। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অনেকেই হসপিটালে ভর্তি। তারাপীঠ-অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর ঘটনায় শোকপ্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে সামাজিক মাধ্যমে লেখা রয়েছে, “বীরভূমে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আমি মর্মাহত। যাঁরা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি সমবেদনা। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। এই কামনা করি। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের স্থানীয় প্রশাসন সহায়তা করছে।” তারাপীঠে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশে মৃত ও আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন রাজ্যের দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। এ দিন ঘটনাস্থলে এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন ডিআইজি বর্ধমান রেঞ্জ, জেলা পুলিশ সুপার, জেলাশাসক সহ জেলা পুলিশ, প্রশাসন ও দমকলের শীর্ষ আধিকারিকরা। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ভিডিয়ো কলে গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।
এরপরই দমকল প্রতিমন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের সামনে জানান, মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে মৃতদের মোট ৯ লক্ষ টাকা করে এবং আহতদের ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে৷ মৃতদের ক্ষেত্রে ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে জেলাশাসকের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে।এই ঘটনায় মৃত ও আহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, “বীরভূমের অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আমি মর্মাহত। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।”সোমবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ তারাপীঠের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় ৯ জনের। অসুস্থ একাধিকজন।