রাজ্যে প্রতি এক লক্ষ মানুষের জন্য পুলিশের সংখ্যা ২০০ করার লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রীর
বৃহস্পতিবার লাল বাজারের একটি অনুষ্ঠানে এসে বাংলার পুলিশ কর্মীদের ভুয়সী প্রশংসা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি রাজ্যের পুলিশ বিভাগ নিয়ে অনেক নতুন বার্তা দেন। বৃহস্পতিবার লালবাজারের অনুষ্ঠানে এসে ফের পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ তিনি। তবে, রাজ্য পুলিশের পরিকাঠামো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। শূন্যপদ পূরণ থেকে পুরনো গাড়ি বদলানো, থানার পরিকাঠামোর উন্নতিতে বেশ কিছু পদক্ষেপের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে তাঁর আশ্বাস, “ওয়েলফেয়ার বোর্ডের জন্য পুলিশের সামান্য বেতন থেকে চাঁদা তোলার দরকার নেই।” বৃহস্পতিবার তারাতলা গুদাম বিপর্যয়ের ঘটনায় দ্রুত উদ্ধারকাজের জন্য কলকাতা পুলিশের ১০ জনকে পুরস্কৃত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ, কলকাতার পুর প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামা এবং মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা রাখতে গিয়ে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি ইতিপূর্বে পোস্তা, গার্ডেনরিচ আরও অনেক দেখেছি কাউকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি। কিন্তু তারাতলায় ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার সম্ভব হয়। সেনা কিছু সময় পরে গিয়েছিল। কিন্তু শুরুতেই কলকাতা পুলিশ, ফায়ার ব্রিগেড পৌঁছয়।"
তিনি আরো বলেন, "যারা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের জীবন বাঁচান তাঁদের কৃতজ্ঞতা জানাতেই হবে। তারাপীঠের ঘটনায় রামপুরহাট পুলিশ এবং রামপুরহাট ফায়ার ব্রিগেড ২২ জনকে জীবিত উদ্ধার করার ক্ষেত্রে দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করেছে। পুলিশ মন্ত্রী হিসাবে আমি চাই গ্রাউন্ডে যারা কাজ করছেন, তাঁদের সঙ্গে আরও সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে।” পুলিশে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে প্রতি এক লক্ষ মানুষের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ রয়েছেন মাত্র ১০৬ জন। সেখানে উত্তরপ্রদেশে অনেক বেশি। প্রতি এক লক্ষ মানুষের জন্য পুলিশের সংখ্যা বাড়িয়ে অন্তত ২০০ জন করাই লক্ষ্য সরকারের। ৪৩ হাজার পদে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।