আবার ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে মিরিকে রংভং নদীপথ - যেকোনো মুহূর্তে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে
নেপালের পরে এবার মিরিক ! কোনো এক অজানা সংকটের মুখে। মানুষ দিশেহারা। ভয় পাচ্ছে আবার না দ্বিতীয় নেপাল হয়ে ওঠে।
সিকিমের পর এবার ভূমিধসের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ল দার্জিলিং পাহাড়ের মিরিকে রংভং নদীপথ। যার জেরে তৈরি হয়েছে বিপজ্জনক বিশাল এক কৃত্রিম হ্রদ! এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হড়পা বান ও ভূমিধসের আশঙ্কায় বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘরছাড়া হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় লেপচা কমিউনিটি হলে দুর্গত পরিবারগুলিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, এসএসবি ছাড়াও তলব করা হয়েছে সেনাবাহিনীকে। শনিবার থেকে মিরিক বস্তি-২-এর রংভাং খোলায় ভূমিধস চলছে। দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা রবিবার জানান, ভূমিধসের পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ‘অর্জুন বাহিনী’-কে মোতায়েন করা হয়েছে।
তবে পাহাড় থেকে ধস নেমে রংভং নদীতে বিশালাকার কৃত্রিম হ্রদ সৃষ্টির ঘটনা নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন। নতুন ধস নেমে যদি কোনও ভাবে হ্রদের পাড় ভেঙে যায়, তবে মিরিকের নীচের এলাকা হড়পা বানের কবলে পড়তে পারে। প্লাবিত হতে পারে নকশালবাড়ি থেকে কার্শিয়াং বনাঞ্চলের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। পরিস্থিতি বিপজ্জনক বুঝে জেলা প্রশাসন, জেলা শাসক, পুলিশ সুপার, মহকুমাশাসক, বিডিও এবং প্রশাসনের অন্য শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন সাংসদ। কোনওরকম বড় বিপর্যয় এড়াতে আগাম সতর্কতা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে অর্জুন বাহিনী ট্রাস্টের ‘ডিজাস্টার টাস্ক ফোর্স’-এর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছেন। এছাড়া বিপর্যয় মোকাবিলাবাহিনী ‘এসডিআরএফ’ এবং ‘এনডিআরএফ’-এর বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পৌছে গিয়েছে। তলব করা হয়েছে সেনাবাহিনীকে।