"রাজ্যের উন্নয়ন তো আমি করবই। কিন্তু নন্দীগ্রাম আমার অগ্রাধিকারে থাকবে। ১ নম্বর জায়গায় থাকবে।”- শুভেন্দু অধিকারী
নন্দীগ্রামে ভোটের বাজনা বাজিয়ে নিলেন নন্দীগ্রামের ভূমিপুরে শুভেন্দু অদিকারী। আমরা জানি, শুভেন্দু অধিকারী নিজের বিজয়ের ভবানীপুর রেখে নন্দীগ্রাম ছেড়ে দিয়েছে। আর সেখানেই এবার উপনির্বাচন। নন্দীগ্রামবাসীর কাছে তিনি আহ্বান করেছেন, ফলতার থেকেও বেশি ব্যবধানে যেন নন্দীগ্রামের জিত আসে। নন্দীগ্রামের সভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, “নন্দীগ্রাম সুস্থ থাকলে আমিও সুস্থ থাকব।” জনসভায় উপস্থিত সকলের কাছে তাঁর আহ্বান, ‘রেকর্ডটা ভাঙবেন তো! আমাকে একবার আপনারাই ৮২ হাজার ভোটে জিতিয়েছিলেন। মনে আছে তো? এবারে রেকর্ড ভাঙতে হবে। ফলতাকে হারাতে হবে! কথা দিন আমাকে।’ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের উন্নয়ন তো আমি করবই। কিন্তু নন্দীগ্রাম আমার অগ্রাধিকারে থাকবে। ১ নম্বর জায়গায় থাকবে।” ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামের পাশাপাশি পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই দুই আসনেই জয়ী হন তিনি। পরে নন্দীগ্রাম ছেড়ে তিনি ভবানীপুরকেই বেছে নেন নিজের বিধানসভা কেন্দ্র হিসেবে।
সেই নন্দীগ্রামেই এবার উপনির্বাচন হবে। বস্তুত, নন্দীগ্রাম ২০২১ সাল থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের হাতছাড়া হয়ে যায়। সে বার তত্কালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন তত্কালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেটা ছিল মমতার কাছে বড় ধাক্কা। এবার একেবারে তাঁরে ঘরে এসে তাঁকে হারানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন শুভেন্দু। হারিয়েওছেন। কিন্তু সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, একসঙ্গে দুটি জায়গা তিনি ধরে রাখতে পারবেন না। তাই নন্দীগ্রাম থেকে সরে এসেছিলেন। এবার সেই নন্দীগ্রাম থেকেই বিজেপি প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়ী করার আহ্বান জানালেন তিনি।