Type Here to Get Search Results !

রাজ্যের কলেজগুলোকে রাজনীতিমুক্ত করা হবে - শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়

 রাজ্যের কলেজগুলোকে রাজনীতিমুক্ত করা হবে - শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় 



  মন্ত্রী জগন্মাথ চট্টোপাধ্যায় সত্যি হাসালেন! সেই বাম জামানা থেকে, তৃণমূল জামানা হয়ে বিজেপি জামানা পর্যন্ত এর কোনো রূপের পরিবর্তন হয় নি। কোথাও তমোঘ্ন ঘোষ, কোথাও প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল, কোথাও শিশির বাজোরিয়ার মতো নেতাদের কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি করা হয়েছে। এরপরই রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী মন্তব্য করলেন, কলেজকে রাজনীতি-মুক্ত করতে যা যা ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব, সেটাই করা হয়েছে। দলের সিদ্ধান্তকেই শিক্ষা দফতর মান্যতা দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে শুরু করে হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার মতো একাধিক জেলার মোট ১৭১টি কলেজের পরিচালন সমিতি নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। অ্যাডমিনিস্ট্রেটরদের সরিয়ে এই সভাপতিদের মনোনীত করা হয়েছে। সুরেন্দ্রনাথ কলেজের সভাপতি হয়েছেন তমোঘ্ন ঘোষ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি কলেজের সভাপতি হয়েছেন লকেট চট্টোপাধ্য়ায়, এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমানকেও একটি কলেজের পরিচালন সমিতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতাদের কেন শিক্ষাক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ভূমিকায় রাখা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।


  এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, বুধবার জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “শিক্ষাঙ্গনকে রাজনীতি-মুক্ত করার দুটি উপায় আছে। এক, অরাজনৈতিক লোক বসিয়ে রাজনীতি মুক্ত পরিবেশ তৈরি করা। অথবা যাদের অবাধ বিচরণ যাদের আছে, তাদের পার্টির নির্দিষ্ট লাইন দিয়ে রাজনীতি যাতে না হয় সেই ব্যবস্থা করা। সে জন্য আপাতত দল যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটাই মেনে চলছে শিক্ষা দফতর। ভবিষ্যৎ আপনারা দেখবেন।”

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.