আদানিরা দার্জিলিংয়ে 'রোপওয়ে' করতে চলেছে
প্রায় সারা বাংলায় ধীরে ধীরে প্রবেশ করেছে আদানি গ্রুপ। আদানির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যেমন দারুন সম্পর্ক প্রধানমন্ত্রীর তেমনই খুবই নিবিড় সম্পর্ক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর। ফলে বাংলায় বাণিজ্যর পথ তার প্রসারিত। এবার আদানি গ্রুপ দার্জিলিংয়ে করতে চলেছে রোপওয়ে। এবার পশ্চিমবঙ্গ পর্যটনে জুড়তে চলেছে নয়া পালক! পালাবদলের বঙ্গে এবার নতুন দিগন্ত দেখবে পাহাড় সুন্দরী দার্জিলিং? নবান্ন সূত্রে খবর, কার্শিয়ং থেকে দার্জিলিং রোপওয়ে তৈরির প্রস্তাব নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে আদানিরা। বৃহস্পতিবার কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানির প্রতিনিধিদলের বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কার্শিয়ং টু দার্জিলিং প্রস্তাবিত রোপওয়ের দৈর্ঘ্য হতে পারে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার। সরকারি স্তরে প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে তবেই নিয়ম মেনে টেন্ডার ডাকা হবে। তবে রোপওয়ে প্রকল্পের বিস্তারিত রুট, স্টেশন, প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো, বিনিয়োগ বা নির্মাণের সময়সীমা সম্পর্কে কোনও সিদ্ধান্তই এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
তবে নবান্ন সূত্রে যা জানা যাচ্ছে, রোপওয়েতে ব্যবহৃত প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৮০০ থেকে ১৮০০ যাত্রী পরিবহণ করা সম্ভব হতে পারে। সড়কপথে ৩০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে যে সময় লাগে, তার অর্ধেকের কম সময় পৌঁছনো যাবে গন্তব্যে।
কার্শিয়ং থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত মূলত হিল কার্ট রোড বা অন্যান্য পাহাড়ি রাস্তার উপর নির্ভর করতে হয় পর্যটকদের। পরিকল্পিত রোপওয়ে হলে তা সড়কপথের একটি বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা হবে। যাতায়াতের সময় যেমন কমবে, তেমনই পাহাড়ি রাস্তায় গাড়ি চাপও কমবে। যানজটের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। অনেকাংশে হ্রাস পাবে দূষণও।