Type Here to Get Search Results !

রেজিনগরে বিজেপির জয় রাজনীতিতে নতুন রসায়ন তৈরী হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা

 রেজিনগরে বিজেপির জয় রাজনীতিতে নতুন রসায়ন তৈরী হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা 



  রেজিনগর কেন্দ্রে ৭০ শতাংশের বেশি মুসলিম। আর সেই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর জয় নিশ্চই নতুন ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভোট প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী মুসলিম ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, আসুন আমরা বন্ধুত্বের হাত বাড়াই। আর তাতেই সারা দিলো মুসলিম ভোটারেরা। পাঠকদের নিশ্চয়ই মনে আছে, উপনির্বাচনের আগে 'তৃণমূল' নাম আর 'নিশান' নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে চলেছিল দড়ি টানাটানি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। আপাতত তাই তৃণমূল নাম ও প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি মেলেনি। ফলে উপনির্বাচনে মমতাপন্থী তৃণমূল পায় মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। আর ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক। অন্যদিকে, ঋতব্রতগোষ্ঠী পায় গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস নাম। প্রতীক খাম। নন্দীগ্রামে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন মমতা তৃণমূলের প্রার্থী। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন দেন মমতা। রেজিনগরেও মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী প্রথমে বেঁকে বসেও পরে ভোটে লড়েন। তো এই হল উপনির্বাচনের আগের ঘটনাক্রম। উপনির্বাচনে দেখা গেল, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী ন্যূনতম লড়াই দিতেও ব্যর্থ।


  রেজিনগরে প্রথম তিনেই নেই তারা। সেখানে ৩৩৩৩৬ ভোট পেয়ে বিজেপি প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আম জনতা উন্নয়ন পার্টির গোলাম নবি আজাদ। তৃতীয় কংগ্রেসের আবদুল্লাহিল কাফি। ৩৭৮৫ ভোট পেয়েছেন। আর চতুর্থ মমতা তৃণমূলের রবিউল। পেয়েছেন ৩১২৩টি ভোট। পঞ্চমস্থানে সিপিএম প্রার্থী। আর ১৩৯০ ভোট পেয়ে ষষ্ঠ ঋতব্রত গোষ্ঠীর সাফিউজ্জামান শেখ। এবার আসা যাক, ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের পরিসংখ্যানে। হুমায়ুন কবীর ১,২৩,৫৩৬ ভোট পেয়ে জমিতেছিলেন রেজিনগরে। তারপর বিজেপির বাপন ঘোষ পান ৬৪,৬৬০ ভোট। আর তৃণমূলের আতাউর রহমান ৪৭,৭১৮ ভোট। ভোটের ফারাকটা দেখলেই বুঝতে পারবেন, ঠিক কী হাল হয়েছে ৬ মাস আগেও রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা তৃণমূলের।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.