রেজিনগরে গিয়ে শুভেন্দু বিজয় বার্তা দিলেন
৬ তারিখের উপনির্বাচনে রেজিনগর থেকে এবার বিজেপি পদ্ম ফোটাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি রেজিনগরের মানুষ পদ্ম ফোটাবেন এবার। তিনি দলেন, রেজিনগরে কংগ্রেস, তৃণমূল, বাম অপ্রাসঙ্গিক। বাকি যিনি রইলেন তাকে এবার ছুটি নিতে হবে। দিন কয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যুকামনা করে ঘৃণ্য রাজনীতির নির্লজ্জ নজির গড়েছিলেন নওদার বিধায়ক হুমায়ন কবীর (Humayun Kabir)। এবার হুমায়ুনের বিচারের ভার রেজিনগরের উপর ছেড়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। আজ উপনির্বাচনের প্রচারে রেজিনগরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকেই হুমায়ুন কবীরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন শুভেন্দু। তাঁর বার্তা, ‘রাজনীতির ময়দানে লড়াই হয়, কিন্তু এই ধরনের ভাষা কেউ ব্যবহার করে না।…আমি বিচারের ভার রেজিনগরের গণদেবতার হাতে তুলে দিয়ে গেলাম।' দিন কয়েক আগে সাংবাদিক বৈঠকে হুমায়ুন কবীর বলেন, “আমাদের অসম্মান করলে ক্ষমতাচ্যুত হতে হবে। আমি চাই মুখ্যমন্ত্রী থেকে উনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যান। শুক্রবারে নমাজ পড়ব, বলব, এ যত তাড়াতাড়ি পৃথিবী থেকে বিদায় হয়, উপরওয়ালা যেন ওকে ওঁর টিকিট কাটিয়ে দেয়। ছত্তিশগঢ়ের একজন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর কীভাবে মৃত্যু হয়েছে? মহারাষ্ট্রের শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ারের কীভাবে মৃত্যু হয়েছে? ইন্দিরা গান্ধী-রাজীব গান্ধীকে কীভাবে যেতে হয়েছে? এর এত অহংকার? অহংকারের পতন হবে। ওইভাবে পৃথিবী ছেড়ে যেতে হবে।”
রেজিনগরের উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর স্পষ্ট বার্তা, ‘শাখারভ সরকারের জয় কেউ আটকাতে পারবেন না।’ রেজিনগরে বিজেপির জয় কীভাবে নিশ্চিত, সেই বিষয়ে বলতে গিয়ে হুমায়ুন কবীরের প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। রেজিনগরে সিপিএম, কংগ্রেস বা তৃণমূল কেউ এতটুকু জমি পাবে না দাবি করেছেন শুভেন্দু। এরপরই হুমায়ুনের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “বাকি থাকল একজন। তিনি বলছেন অজিত পাওয়ার প্লেন অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেল, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী নাকি আততায়ীর হাতে খুন হয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী প্রতি শুক্রবার ওপরওয়ালার কাছে প্রার্থনা করব যাতে পৃথিবী থেকে তুলে নেয়। এই লোককে ভোট দেবেন? আমরা শত্রু হলেও এই ধরনের কথা মুখে আনি না। রাজনীতির ময়দানে লড়াই হয়, লড়াই হবে, বাক্য বিনিময় হবে, তর্ক হবে, আলোচনা-সমালোচনা হবে, একজন জিতবে, অন্যরা হারবে। আর এখানে হুমায়ুন সাহেব বলছেন, আমি প্রতি শুক্রবার প্রার্থনা করছি, যাতে ওপরওয়ালা তাড়াতাড়ি মুখ্যমন্ত্রীকে অজিত পাওয়ারের মতো তুলে নেয়। আমি বিচারের ভার রেজিনগরের গণদেবতার হাতে তুলে দিয়ে গেলাম।”