বামেদের বুকস্টল ভাঙার জন্য তীব্র নিন্দা করলো RSS নেতা জিষ্ণু বসু
বামেদের বুকস্টল ভাঙা নিয়ে এবার দলের ভিতর থেকেই প্রতিবাদ উঠছে। এমনকি প্রতিবাদ জানাচ্ছে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীও এবার প্রতিবাবাদ জানালেন RSS নেতা জিষ্ণু বসু। বুকস্টল ভাঙার তীব্র নিন্দা করলেন। বললেন, “ক্ষমতার দম্ভে মদমত্ত হয়ে যাঁরা বুকস্টল ভেঙে দিচ্ছেন, তাঁরা ভারতবর্ষকেও বোঝেননি।” বামেদের বুকস্টল ভাঙা নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। তাঁর বক্তব্য, কোনও প্রকৃত বিজেপি কর্মী এ কাজ করতে পারেন না।বামেদের বুকস্টল ভাঙার নিন্দা করে এদিন জিষ্ণু বসু বলেন, “ক্ষমতার দম্ভে মদমত্ত হয়ে যাঁরা বুকস্টল ভেঙে দিচ্ছেন, তাঁরা ভারতবর্ষকেও বোঝেননি। তাঁরা হিন্দু নাম নেওয়ার যোগ্য নন। এটা হিন্দুত্বের বিরুদ্ধে। এটা হিন্দু ভাবনার বিরুদ্ধে। অন্যের মতপ্রকাশের অধিকার, তাঁর মতকেও সম্মান জানানো, সেটাই ভারতবর্ষের আদর্শ। সেটাই হিন্দুদের আদর্শ। যাঁরা এই কাজ করছেন, তাঁরা প্রকান্তরে আদর্শের একটা গভীর ক্ষতি করছেন।”
বিগত তৃণমূল সরকারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, “একটা কথা ভুলে যাবেন না, ক্ষমতার দম্ভে অনৈতিক আচরণ, ক্ষমতায় মদমত্ত হয়ে বিরোধী মতকে প্রকাশ না করতে দেওয়া, তার বিরুদ্ধেই পশ্চিমবঙ্গের মানুষ একত্রিত হন। মানুষের এই রায়কে সম্মান দেওয়াই আমাদের কাজ। কারও বুকস্টল বন্ধ করার মধ্যে কোনও পৌরুষ নেই। ভারতবর্ষের মানুষ, হিন্দুরা, বীরকে সম্মান করে, শৌর্যকে সম্মান করে। ভারতবর্ষের মানুষ কাপুরুষতাকে ঘৃণা করে। ক্ষমতার দম্ভ নিয়ে যারা বিরোধীদের অত্যাচার করে, তারা কাপুরুষ।” RSS এই নেতার বক্তব্য, “ভারতবর্ষ শুধু অন্যের আদর্শকে গ্রহণই করে না, মত প্রকাশের স্বাধীনতাও দেয়। এটাই ভারতবর্ষ, এটাই হিন্দুত্ব, এটাই হিন্দুধর্ম।”বামেদের বুকস্টল ভাঙা যে কোনওমতেই সমর্থন করা যায় না, তা স্পষ্ট করে দিলেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনিও সিপিএমের অত্যাচারের শিকার হয়েছেন জানিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, “সিপিএমের বুকস্টল যেভাবে ভাঙা হয়েছে, সেটাকে সমর্থন করতে পারি না। কোনও প্রকৃত বিজেপি কর্মী একাজ করেনি, তারা করতে পারে না।”
