পূর্ব বর্ধমান
দ্রুত ধান কাটতে ব্যস্ত পূর্ব বর্ধমানের কৃষকরা
প্রতি বছর ঠিক এই সময় কাল বৈশাখী ও ঝোড়ো বৃষ্টির কারণে পাকা ধানের অনেক ক্ষতি হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী খুব তাড়াতাড়ি আবহাওয়া খারাপ হবে। শুরু হবে বৃষ্টিপাত, তাই ফসল বাঁচাতে রীতিমত হুড়োহুড়ি শুরু হয়েছে চাষিদের মধ্যে। দু’দিন আগেও মেশিনে ধান কাটতে ঘন্টায় যে টাকা লাগত, এখন তার চেয়ে অনেকগুণ বেশি টাকা দিতে হচ্ছে৷ এছাড়া ধান কাটার জন্য শ্রমিক পাওয়াও হয়ে উঠেছে দুষ্কর৷ পাকা ফসল ঘরে তুলতে তাই মেশিনই একমাত্র ভরসা চাষিদের। অন্যদিকে সেই সুযোগে মেশিন ভাড়াও বেড়েছে অনেকটাই। বোরো ধান চাষের অনেকটাই নির্ভর আবহাওয়ার উপর৷ কারণ প্রতিবছরই ধান পেকে যাওয়ার সময়ে কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টিতে ধানের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়৷
ফের ঝড় বৃষ্টি শুরু হবে বলে খবর মিলেছে৷ আর তড়িঘড়ি মাঠ থেকে ধান ঘরে তুলে নিতে টাকা বেশি খরচ করতে হচ্ছে চাষিদের৷ কাটোয়ার একাধিক চাষির কথায়, “আগে মেশিনে ধান কাটতে ঘন্টায় ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা নিত৷ এখন আমাদের তাড়াতাড়ি ধান ঘরে তুলতে হবে৷ তাই সেই সুযোগে ঘন্টায় ৩ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা নিচ্ছে মেশিন মালিকরা৷ সেই টাকা খরচ করেই তড়িঘড়ি ধান ঘরে তুলে নিতে হচ্ছে৷ তাতে চাষের খরচটুকু তো উঠে যাবে। কিন্তু ধান মাঠে ফেলে রাখলে ঝড়-বৃষ্টিতে নষ্ট হবে৷” আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হয়েছে৷ বিকেলে প্রায়ই ঝড় বৃষ্টি আংশিক ভাবে হচ্ছে৷ তাই তড়িঘড়ি পাঁচগুণ মেশিন ভাড়া করে ধান ঘরে তুলতে হিড়িক পড়ে গিয়েছে৷
