পহেলগাঁও হামলার তীব্র নিন্দা জি-৭ দেশগুলির
গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরনে পর্যটকদের উপর হামলা চালিয়ে ২৬ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। বেছে বেছে পরিচয় জেনে হামলা চালানো হয়। জঙ্গি সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ) হামলার দায় স্বীকার করে। পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার ছায়া সংগঠন হল টিআরএফ। ভারত স্পষ্ট করে দিয়েছে, পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে। জি-৭ এর সদস্য দেশগুলি এক বিবৃতিতে শনিবার বলে, “আমরা, জি-৭ এর সদস্য দেশ কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, জাপান, ব্রিটেন এবং আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পদস্থ প্রতিনিধি, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা করছি। একইসঙ্গে ভারত ও পাকিস্তানকে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আর্জি জানাচ্ছি।”
ভারতীয় সেনার প্রত্যাঘাতের পর পাকিস্তান সেনা বিনা প্ররোচনায় সীমান্তে গোলাবর্ষণ করে চলেছে। সাধারণ মানুষ পাকিস্তানের হামলা থেকে ছাড়া পাচ্ছে না। বিনা প্ররোচনায় পাকিস্তান সেনা মিসাইল ছুড়ছে। ড্রোন হামলা করছে। ভারতীয় সেনা পাকিস্তানের প্রত্যেকটি হামলা প্রতিহত করেছে। বিশ্বের কাছে ভারতের স্পষ্ট বার্তা, হামলা শুরু করেছে পাকিস্তান। ভারত শুধু প্রত্যাঘাত করেছে। একইসঙ্গে ভারত হুঁশিয়ারি দিয়েছে, পাকিস্তান হামলা চালালে ভারত যোগ্য জবাব দেবে। এই পরিস্থিতিতে জি-৭ এর সদস্য দেশগুলির বার্তা, “দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার উপর প্রভাব পড়বে। আমরা দুই দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বিগ্ন।” সেজন্য উত্তেজনা প্রশমনের আর্জি জানিয়ে তাদের বক্তব্য, আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ফিরে আসুক। পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে জানিয়ে জি-৭ দেশগুলি চায়, দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান হোক ভারত-পাকিস্তানের।
