Type Here to Get Search Results !

কোন ধারায় তাকে সাসপেন্ড করা হলো? জানতে চেয়ে পার্থর চিঠি মমতাকে


 কোন ধারায় তাকে সাসপেন্ড করা হলো? জানতে চেয়ে পার্থর চিঠি মমতাকে 


  তিন বছর পড়ে বাড়ি ফিরে উল্লোসিত পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ফিরেই তিনি চিঠি দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই সেই চিঠি পৌঁছে গিয়েছে মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরে। একই সঙ্গে এই চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর কাছেও। সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘সংবাদমাধ্যমে জেনেছি দল আমাকে সাসপেন্ড করেছে। দলীয় সংবিধানের কোন ধারা মেনে আমায় সাসপেন্ড করা হল?’ চিঠিতে জানতে চেয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী।


   বস্তুত, ২০২২ সালের ২৩ জুলাই গ্রেফতার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি-র হাতে গ্রেফতার হন তিনি। সেদিন গ্রেফতারের পর ইডি পার্থকে জিজ্ঞাসা করেছিল, তিনি কারও সঙ্গে কথা বলতে চান কি না। পার্থ সোজা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়েছিলেন। তবে ফোনে পাননি তাঁকে। পরে পার্থ বলেছিলেন, “চেষ্টা করেছিলাম। পাইনি।” পরবর্তীতে যদিও ফিরহাদ হাকিম বলেছিলেন,”তল্লাশি হলে প্রথমেই ফোন নিয়ে নেয়। তাহলে ফোন করবেন কীভাবে।” এর ঠিক পাঁচ দিনের মাথায় সাংবাদিক বৈঠক করেন অভিষেক। স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেছিলেন, “সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত অনুসারে দলের সমস্ত পদ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরানো হল।” দল থেকে সাসপেন্ডের পর মন্ত্রিত্বও চলে যায় পার্থর। গ্রেফতারের ৬ দিনের মাথায় মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হয় তাঁকে। এরপর কেটেছে অনেকগুলি বছর। এখন পার্থ জবাবদিহি চাইছে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.