বাংলাদেশের প্রভাব যাতে কলকাতায় কোনোভাবেই না পড়ে - সতর্ক করলেন পুলিশ কমিশনার
সম্প্রদায়িকতা ভয়ঙ্কর ছোঁয়াছে রোগ। মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পড়ে দূর থেকে দুরন্তে। আর আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রে যেভাবে সংখ্যালঘু নির্যাতন চলেছে তা নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী। শনিবার কলকাতা পুলিশের মাসিক ক্রাইম মিটিং করেন কমিশনার। এদিন ক্রাইম মিটিংয়ে বাংলাদেশের অশান্তির বিষয়টিও উঠে আসে। সূত্রের খবর, কমিশনার এদিন স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে যে অশান্তি চলছে তার সূত্রে কলকাতায় যে কোনও ধরনের গোলযোগের আশঙ্কা দেখা দিলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে। কলকাতা পুলিশ এলাকার অন্তর্গত সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে বিশেষ নজরদারির পাশাপাশি, এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির সময় শহর এবং বিশেষ করে শহরতলির থানা এলাকাগুলিতে কঠোর নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে। জেলায় জেলায় সেই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
শুরু হয়ে গেছে উৎসবের মরসুম। বড়দিন, নববর্ষ - সব মিলিয়ে বাঙালি উৎফুল্ল। সেই মুহূর্তে বাংলাদেশের কোনো প্রভাব যাতে পশ্চিমবঙ্গে না পড়ে সেই বিষয়ে সতর্ক প্রশাসন। বড়দিন ও বর্ষবরণের রাতে নৈশ পার্টি হয়। রাতভর রাস্তায় লোকজনের ভিড় থাকে। শ্লীলতাহানি বা মহিলাদের সঙ্গে কোথাও কোনও অভব্য আচরণ যাতে না ঘটে সেদিকে পুলিশকে নজর রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়া মদ্যপ চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলিতে নিয়মিত তল্লাশি ও অভিযান চালাতে স্থানীয় থানাগুলিকে নির্দেশ দেন সিপি। এছাড়া, শহরে একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে এদিন আলোচনা হয়। দাহ্য পদার্থ মজুত রাখা গুদামগুলির লাইসেন্স পর্যালোচনা করতে বলা হয়েছে। সেজন্য সমস্ত থানাকে তাদের নিজ নিজ এলাকার দাহ্য বস্তু মজুত রয়েছে এরকম গুদামের সংখ্যা, সেখানে কী ধরনের দাহ্য পদার্থ মজুত রয়েছে তার তথ্য সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।
