সুন্দরবন অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া মহিলাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে বিশেষ কর্মসূচি
সুন্দরবন অঞ্চলের মানুষকে একদিকে বাঘ আর অন্যদিকে কুমিরের সঙ্গে লড়াই করে বাঁচতে হয়। সেই জীবনযুদ্ধে মহিলা পুরুষ সকলেই অংশ নেন। কিন্তু তারা ততটা স্বাস্থ্য সচেতন নন। সেও কারণেই নানা অসুখে ভোগেন। তাদের সচেতন করত এগিয়ে আসলো এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এদিনের এই শিবিরে উপস্থিত মহিলাদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে বিশদে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে ঋতুস্রাব চলাকালীন পরিচ্ছন্ন থাকার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। প্রথমে স্বাস্থ্যকর্মীরা মহিলাদের বোঝান, ঋতুস্রাবের সময় সঠিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা শরীরের সুস্থতার পক্ষে কতটা জরুরি। সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়, কীভাবে পরিচ্ছন্নতা না থাকলে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে এবং কীভাবে দৈনন্দিন অভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন এনে এই সমস্যা এড়ানো যায়। প্রথমে স্বাস্থ্যকর্মীরা মহিলাদের বোঝান, ঋতুস্রাবের সময় সঠিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা শরীরের সুস্থতার পক্ষে কতটা জরুরি। সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়, কীভাবে পরিচ্ছন্নতা না থাকলে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে এবং কীভাবে দৈনন্দিন অভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন এনে এই সমস্যা এড়ানো যায়। স্বাস্থ্য সচেতনতার এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রায় ২০০ জন আদিবাসী মায়ের হাতে পুনঃব্যবহারযোগ্য স্যানিটারি ন্যাপকিন তুলে দেওয়া হয়।
পরিবেশবান্ধব ও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় এই ন্যাপকিনগুলি তাদের নিয়মিত ব্যবহারে বিশেষভাবে উপযোগী হবে বলে জানানো হয়। এর পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষার দিকেও বিশেষ নজর দেয় সংস্থাটি। শিবিরের মধ্যেই ১০০ জন আদিবাসী শিশুর হাতে খাতা, রং এবং পেনসিল তুলে দেওয়া হয়। ফলে স্বাস্থ্য সচেতনতার পাশাপাশি শিক্ষার গুরুত্বও সমানভাবে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিঙ্গলগঞ্জের বিধায়ক দেবেশ মন্ডল এবং হিঙ্গলগঞ্জের বিডিও দেবদাস গাঙ্গুলী। তাঁরা এই উদ্যোগকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
