ঋদ্ধিকে কি ব্যান করেছে টলিপাড়া?
তেমন একটা ইঙ্গিত কিছুদিন ধরেই পাওয়া যাচ্ছিলো। অনির্বান ভট্টাচার্যর মতো ঋদ্ধি সেনও পড়েছেন টলিপাড়ার রাজরোষে। বাংলা ছবিতে এই মুহূর্তে অনির্বাণ ভট্টাচার্য কাজ করতে পারছেন না। টেকনিশিয়ানদের ফেডারেশনের উপর তাঁর কাজে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলেই চর্চা। অনির্বাণ আইনি লড়াই লড়েছিলেন ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। তিনি যাঁদের সঙ্গে এই লড়াই লড়েছিলেন, তাঁদের অনেকে ফেসবুকে ভিডিয়ো পোস্ট করে, একপ্রকার ভুল স্বীকার করে আবার কাজ করছেন। তবে অনির্বাণ এখনও কাজ শুরু করেননি, কারণ তিনি নাকি ক্ষমা চাইতে রাজি নন।
এর মধ্যে খবর হলো, অভিনেতা ঋদ্ধি সেনকে ‘ব্যান’ করে দেওয়া হয়েছে। পরিচালক সুমন ঘোষ একটা ছবির ঘোষণা করেছিলেন। নাম ‘শ্রীরামপুর ডায়ারিজ’। সেখানে অভিনয় করার কথা ছিল ঋদ্ধির। কিন্তু টেকনিশিয়ানরা নাকি ঋদ্ধির সঙ্গে কাজ করতে রাজি নন। সেই কারণে আপাতত ছবিটির শুটিং হচ্ছে না। তবে এ কথা ফেডারেশনের তরফে জানানো হয়নি। সমস্যার সূত্রুপাত ফেসবুকে ঋদ্ধির একটা পোস্ট থেকে। গত বছর ১৬ নভেম্বর ঋদ্ধি ফেসবুকে লিখেছেন, "দারুণ লাগছে, শিল্প, সংস্কৃতি, স্বতন্ত্রতা, সততা, প্রতিবাদ বা এই ধরনের শব্দগুলো বেশ কয়েকবছর হলো বাংলার শিল্পীদের কাছ থেকে কেনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পার্সোনাল প্রপার্টি। বাংলা চলচ্চিত্র,সংগীত,শিল্পী, নাট্য,সাহিত্য,সংস্কৃতি জগতের একটা গোটা প্রজন্মের অধিকাংশ ব্যক্তি তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে কাজের বদলে শেখাতে পেরেছে সুবিধাবাদ, একটা গোটা নতুন প্রজন্মের সামনে জ্বল জ্বল করছে তাদের পূর্ব প্রজন্মের লোভ, যারা আর কাজ করতে পারে না, পারে না ‘নতুনের’ দিকে হাত বাড়াতে, ‘হ্যাঁ’ বলার রাজনীতিতে পারে না ‘না’ বলতে, পারে শুধু সুবিধা ভোগ করতে,পাল্টি খেতে,সুস্থ কাজের পরিস্থিতির শ্মশানযাত্রা সাজাতে,নিজেদের শরীরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা লোভ নামের জীবাণুর মহামারী ছড়াতে।" ব্যাস আর কি ঋদ্ধি আর কাজ পাচ্ছেন না।
