Type Here to Get Search Results !

মমতা ভার্সেস ইডি - দিশেহারা বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব

 মমতা ভার্সেস ইডি - দিশেহারা বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব 



  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো ডায়নামিক, তৎপর, সাহসী ও কুশলী নেত্রী ভারতে কমই আছে  তা সকলেই স্বীকার করেছেন। ফলে তাঁর যেকোনো কাজে বিরোধিতা করতে গিয়ে কিছুটা থমকে দাঁড়াতে হয় কেন্দ্রীয় সরকারকে। এবারও তাই হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বারবার বলে এসেছেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ক্ষুরধার মস্তিষ্কের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার ক্ষমতা ভূ-ভারতে কম লোকেরই আছে। অনেক বিজেপি নেতাও ক্যামেরার আড়ালে তা বলে থাকেন। সেই কথা যে কতখানি সঠিক, তার প্রমাণ মিলছে আরও একবার। যেভাবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ইডির হানা চলাকালীনই নিজের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে বেরিয়ে এসেছেন মমতা, তার পাল্টা কী করা উচিত তা নিয়েই কূলকিনারা পাচ্ছে না বঙ্গ বিজেপি। 


  বাংলার এক প্রথম সারির নেতার বক্তব্য, তদন্তে বাধা দেওয়ার অপরাধে ওঁর বিরুদ্ধে যদি কঠোর পদক্ষেপ করে কোনও আদালত, তা হলে বাংলার ভোটারদের আবেগে সুড়সুড়ি দেবে তৃণমূল। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নিজেদের পালে হাওয়া লাগিয়ে নিতে পারবে তারা। প্রচার করা হবে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে না পেরে এজেন্সি ও আদালতকে কাজে লাগিয়ে বাংলার দখল নিতে চাইছে গেরুয়াশিবির। যে মন্তব্য ইতিমধ্যেই উঠে এসেছে অখিলেশ যাদব, মেহবুবা মুফতি, কপিল সিবালদের কথায়। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সরব হন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী তথা রাজ্যসভা সাংসদ তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিবাল। বলেন, “আমি মমতার সঙ্গে আছি। ইডি কি ভগবান? যেখানে খুশি, যা খুশি করতে পারে? ওরা আগে এটা তো বলুক যে কীসের তদন্ত করছিল? কয়লা দুর্নীতির হলে শুধু তো এই সংক্রান্ত ফাইল নেবে। যা খুশি নিয়ে চলে যাবে?”  সবটা মিলিয়ে কিন্তু বিজেপির রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অসহায়।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.