Type Here to Get Search Results !

প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির রাজপথে শোভাপাবে 'বাঙালি অস্মিতা’

 সম্পাদকীয় 



প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির রাজপথে শোভাপাবে 'বাঙালি অস্মিতা’


  'বাঙালি অস্মিতা’কে হাতিয়ার করে এবার দিল্লির রাজপথে নামছে নানা রঙের ট্যাবলো। সাম্প্রতিক ঘটনাক্রমকে সামনে রেখেই সেই ট্যাবলোসজ্জা হবে। শীতকালীন অধিবেশনে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বঙ্কিমচন্দ্রকে ‘বঙ্কিমদা’ বলে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। এই বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী গজেন্দ্র শেখাওয়াত সাহিত্যসম্রাটকে ‘বঙ্কিমদাস’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। অমিত শাহ আবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলতে গিয়ে বলে দিচ্ছেন ‘রবীন্দ্রনাথ সান্যাল’। যা নিয়ে একাধিকবার সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মনিষীদের অপমান নিয়ে সরব হন। এবার সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে ‘বাংলা এবং বাঙালি অস্মিতা’কেই সুকৌশলে তুলে ধরে ট্যাবলো সাজালো পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এবারের বাংলার ট্যাবলোয় শুরুতেই থাকছে আনন্দমঠ লেখায় মগ্ন সাহিত্যসম্রাটের বিশাল মূর্তি।


  এছাড়াও থাকছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ক্ষুদিরাম বসু, মাতঙ্গিনী হাজরা-সহ অন্যান্যরা। সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে যেভাবে ট্যাবলো সাজানো হয়েছে তা নীরবে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেই জবাব বলে মনে করছে রাজনৈতিকমহল।  ডিসেম্বরে শীতকালীন অধিবেশনে যখন বাংলার মনীষীদের অপমান করছিল বিজেপি, তখন পালটা আক্রমণ শানিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদরা। তাঁদের হাতিয়ার ছিল দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলা ও বাঙালিদের ভূমিকা। যার পুরোভাগে থাকবেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। যাঁকে দেখা যাবে তিনি মগ্ন রয়েছেন আনন্দমঠ লেখায়। চেনা ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। এভাবেই বাংলার শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির ইতিহাসকে তুলে ধরতে চলেছেন বাংলা।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.