এবার মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে চলেছে বিরোধী দলনেতা
ঠিক ভোটের আগে ভোটের খেলাকে ঘুরিয়ে দিলো আই প্যাক। এখন সকলের দৃষ্টি সেই আই প্যাক ও ইডির দিকে। প্রসঙ্গত আই প্যাকের অফিসে ইডির তল্লাশিকে কেন্দ্র করে বাতাস এখন বেশ উত্তপ্ত। সেখানেই তর্ক যুদ্ধের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "ওরা বলছে কয়লার টাকা! কে খায়? অমিত শাহ খায়। গদ্দারের মাধ্যমে টাকা দেওয়া হয়। সাথে আছে জগন্নাথ। পুরীর জগন্নাথ নয়। জগন্নাথের সরকার। ওঁর মাধ্যম দিয়ে টাকা যায় শুভেন্দুর কাছে। তারপর সেই টাকা অমিত শাহের কাছে যায়।” এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই এবার প্রমাণ চেয়ে চিঠি পাঠালেন শুভেন্দুর আইনজীবী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে দত্তক সন্তান বলেও নিশানা করেছেন। যা অপমানজনক বলেই মত শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবীর। ব্যাস এবার খেলা নতুন পথে বইতে শুরু করেছে। শেষ পর্যন্ত কোথায় যায় তা দেখার আপেক্ষায়।
IPAC-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি তল্লাশি থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার এক বেনজির দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে বাংলা তথা গোটা দেশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির মাঝে ঢুকে মুখ্যমন্ত্রীকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবারও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিঁধে দাবি করেছিলেন, ইডি-র মাধ্যে তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। যদিও ইডি বিবৃতি দিয়ে জানায়, কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় এই তল্লাশি চলছিল। গোটা দেশের ১০ জায়গায় তল্লাশি চলছিল। তার মধ্যে ৬টি বাংলায় ও চারটি দিল্লিতে। ইডির বক্তব্য, এই তদন্তে হাওয়ালা-যোগও উঠে আসে। আর এখানেই উঠে আসে আইপ্যাকের নাম। ইডির দাবি, ইন্ডিয়ান প্যাক কনসালটিং প্রাইভেট লিমিটেড, অর্থাৎ আইপ্যাকের মাধ্যস্থতার হাওয়ালায় ১০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। অভিযুক্ত বেশ কয়েকজনের বয়ানে এই প্রতীক জৈনের নাম উঠে এসেছে। সেই কারণেই তল্লাশি।
