‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর রঙে মাতলেন সুন্দরবনের মহিলারা, মিছিলে মমতাকে ধন্যবাদ
রাজ্য সরকারের ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পে আর্থিক স্বাবলম্বন লাভ করা সুন্দরবনের প্রান্তিক গ্রামের শত শত মহিলা প্রাক-হোলির আগাম রঙ ছড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানালেন। বসিরহাটের হাসনাবাদ ব্লকের মাখালগাছা গ্রাম পঞ্চায়েতে গতকাল টাকি-মালঞ্চ রোডে হোলি খেলে মিছিল বের হয়েছে। এই অভিনব উৎসবে মহিলারা গুলাল মেখে, ঢাক-ঢোলের তালে মাতলেন, ‘দিদির লক্ষ্মীর ভান্ডারে আশীর্বাদ’ স্লোগান তুলে।তৃণমূল কংগ্রেসের হাসনাবাদ ব্লক-২ সাধারণ সম্পাদক মুকুল মন্ডলের নেতৃত্বে এবং মাখালগাছা অঞ্চল মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আয়োজিত এই মিছিলে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বহু মহিলা অংশ নিয়েছেন। এক মহিলা বললেন, “সুন্দরবনের এই প্রান্তিক এলাকায় মাছ-চাল ধান্দায় দিনরাত কাটাতাম। লক্ষ্মীর ভান্ডারের মাসিক টাকা পেয়ে পরিবার চালানো সহজ হয়েছে। দিদি আমাদের স্বাবলম্বী করেছেন, সমাজ সুস্থ রেখেছেন। তাই প্রাক-হোলিতে এই মাতলাম ও ধন্যবাদ।”মুকুল মন্ডল বললেন, “দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মহিলারা লক্ষ্মীর ভান্ডার পাচ্ছেন। ২০২৫-২৬ বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধির পর তাদের আত্মবিশ্বাস দ্বিগুণ। সুন্দরবনের বন্যা-ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এতে সবচেয়ে বেশি উপকৃত। আজকের মিছিলে পঞ্চায়েতের সব সদস্য যোগ দিয়েছেন।”মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মাখালগাছা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তাসলিমা বিবি, উপ-প্রধান রামকৃষ্ণ বারুই, প্রধান প্রতিনিধি সাগর মোল্লাসহ সকল সদস্য ও শাসক দলের স্থানীয় নেতৃত্ব। তাসলিমা বিবি বললেন, “এই প্রকল্প গ্রামের অর্ধেক মহিলার জীবন বদলে দিয়েছে। হোলির আগে এমন উৎসব আরও হবে।”রাজ্যে লক্ষ্মীর ভান্ডারে ২ কোটির বেশি মহিলা সুবিধাভোগী। সুন্দরবনের মতো প্রান্তিক অঞ্চলে এটি নারীর ক্ষমতায়নের বড় হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
