মমতার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুবসাথী প্রকল্পে কৃতজ্ঞতা জানালো হাজারো কর্মী
রাজ্য সরকারের নতুন প্রকল্পের প্রসারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘কল্পতরু’ বলে সম্মান জানিয়ে বারাসত শহর ছাত্র ও যুব তৃণমূল কংগ্রেস মঙ্গলবার বিকেলে বিশাল ধন্যবাদ মিছিল করেছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মাসিক অনুদান বৃদ্ধি এবং বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পে এককালীন অনুদান বরাদ্দের জন্য তাঁকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।বারাসত হেলা বটতলার মিলনী মাঠ থেকে শুরু হওয়া মিছিলে হাজারো কর্মী, সমর্থক ও সুবিধাভোগী যুবক-যুবতীরা অংশ নিয়েছে। নানা স্লোগানে মুখরিত এই মিছিল ডাকবাংলো হয়ে চাঁপাডালি মোড়ে শেষ হয়েছে। মিছিলে পা মেলান বারাসত সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি লিঙ্কন মল্লিক, জেলা টিএমসিপি সভাপতি সোহম পাল, বারাসত শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দেবাশিস মিত্র, শহর যুব তৃণমূলের সভাপতি চয়ন দাস, বারাসত পুরপ্রধান সুনীল মুখোপাধ্যায়, পুরপিতা অরুণ ভৌমিক, অভিজিৎ নাগ চৌধুরীসহ শতাধিক নেতাকর্মী।মিছিলের শেষে চাঁপাডালি মোড়ে সভায় লিঙ্কন মল্লিক বলেন, “দিদির নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার যুবশক্তিকে ক্ষমতায়িত করছে। যুবসাথী প্রকল্পে ১০ হাজার টাকা অনুদান পেয়ে হাজারো বেকার যুবক নতুন স্বপ্ন দেখছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বৃদ্ধি গৃহিণীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এনেছে। এমন কল্পতরু দিদির নেতৃত্বে ২০২৬ নির্বাচনে আবার জয়ী হব।” সোহম পাল জানান, “বারাসত জেলায় ৫০ হাজারের বেশি যুবক যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন করেছে। এটি কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচন করবে।”দেবাশিস মিত্র বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূরদর্শিতায় বাংলা এগিয়ে যাচ্ছে। এই প্রকল্পগুলো বিপক্ষের সমালোচনা মিথ্যা প্রমাণ করেছে। যুবকরা দিদির পক্ষে রাজমিছিলে নামবে।” চয়ন দাস যোগ করেন, “শহরের প্রতিটি গলিতে যুবসাথীর সাফল্যের গল্প শোনা যাচ্ছে। দিদির জয় হোক।”পুরপ্রধান সুনীল মুখোপাধ্যায় বলেন, “বারাসত মিউনিসিপ্যালিটি এই প্রকল্পগুলোর প্রচারে সহযোগিতা করবে। যুবকদের সঙ্গে আমরা নতুন উন্নয়ন প্রকল্প শুরু করব।” সভায় অরুণ ভৌমিক ও অভিজিৎ নাগ চৌধুরীও দিদির প্রশংসা করেন। তৃণমূল নেতারা জানান, এই মিছিল রাজ্যব্যাপী চলবে।
