Type Here to Get Search Results !

এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সাক্ষী থাকল মেঘালয় বিধানসভা

 অফবিট 


এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সাক্ষী থাকল মেঘালয় বিধানসভা



  হ্যাঁ, খুব সুন্দর একটা দৃশ্য ফুটে উঠলো মেঘালয় বিধানসভায়। এমন গঠনমূলক দৃশ্য দেখে সকলে খুশি। স্বামী-স্ত্রীর দ্বৈরথ এবার বিধানসভায়! তাও আবার সরকারি প্রকল্প নিয়ে। সরকারি প্রকল্পের দেরি নিয়ে স্বামীকে চেপে ধরলেন স্ত্রী। ঘরনীর প্রশ্নবাণে জর্জরিত মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে সরকারি কাজের কৈফিয়ত দিতে হল খোদ স্ত্রীর কাছে! এমনই এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সাক্ষী থাকল মেঘালয় বিধানসভা। এই ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ভাইরাল। ব্যক্তিগত সম্পর্ককে দূরে সরিয়ে রেখে মেঘালয়ের (Meghalaya) মুখ্যমন্ত্রী তথা এনপিপি সুপ্রিমো কনরাড সাংমাকে প্রশ্ন করেন বিধায়ক স্ত্রী মেহতাব চান্দি। তাঁরা একই দলের বিধায়ক। স্ত্রীর তির্যক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা স্বীকার করে নেন, রাজ্যে পশুসম্পদ উন্নয়নের জন্য এই কাজগুলি অত্যন্ত জরুরি। 


  কর্মী সঙ্কটও একটি বড় চিন্তার বিষয়। দ্রুত শূন্যপদ পূরণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে আশ্বাস দেন তিনি। সোশাল মিডিয়াতে এই ভিডিও ঘিরে জোর চর্চা। কেউ কেউ আবার একটু মজার ছলেও মন্তব্য করেছেন, ‘বাড়ির ঝগড়া বিধানসভায়। তবে এটা ভালো, কারণ ঝগড়াটা রাজ্যের উন্নয়নের জন্য হচ্ছে। ব্যক্তিগত বিষয়ে নয়।’ ঠিক কী প্রশ্ন করেছিলেন মেহতাব চান্দি? জানা গিয়েছে, বিধানসভার প্রোটোকল মেনে স্পিকারকে সম্বোধন করে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির রূপায়ণে দেরি হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, কেন এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি রূপায়ণে এত দেরি হচ্ছে? রাজ্যের বিভিন্ন পশু প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তীব্র কর্মী সঙ্কটের পরেও সরকার এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ করছে?চান্দির মূল অভিযোগ ছিল রাজ্যের প্রাণিসম্পদ বিকাশ সংক্রান্ত একাধিক প্রকল্পের ধীরগতি নিয়ে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলেন, ২০২২ সালে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছিল একটি ভেটেরিনারি কলেজ, দুটি ফিশারি কলেজ এবং একটি ডেয়ারি কলেজ। সেই প্রকল্পগুলির কাজ কোথায় দাঁড়িয়ে? এরপর প্রকল্পগুলি রূপায়ণে দেরির কারণ হিসেবে স্ত্রীর প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বিচলিত হয়ে উত্তর দেন।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.