সুপ্রিম-নির্দেশ অমান্য! কমিশনের চ্যাট ‘ফাঁস’ করে আক্রমণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্যের গুরুতর অভিযোগ তুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি বলেন, কমিশন আইনি চ্যানেলের বদলে অ্যাপে মাইক্রো-অবজার্ভারদের নির্দেশ দিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে।অভিষেক লিখেছেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করা যায় বলে কি মনে করে কমিশন? দেশের সর্বোচ্চ আদালত বারবার স্বচ্ছতা, যথাযথ প্রক্রিয়া এবং সরকারি চ্যানেলের আনুগত্যের উপর জোর দিয়েছে। তবু হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ প্রচার হচ্ছে।” বিশেষ রোল অবজার্ভার সি. মুরুগনের গ্রুপ চ্যাটে জন্ম শংসাপত্রের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সরাসরি নির্দেশের স্ক্রিনশট তিনি ফাঁস করেন। তাঁর অভিযোগ, এতে ভোটার নাম বাদের সংখ্যা বাড়ানোর চক্রান্ত চলছে। “মাইক্রো-অবজার্ভাররা শুধু তথ্য সংগ্রহ করবে, সিদ্ধান্ত নেবে না—আদালত স্পষ্ট বলেছে। তবু তাদের দিয়ে নাম বাদের চেষ্টা,” লিখেছেন অভিষেক। জেলা-ভিত্তিক রোল অবজার্ভারদের লগইন কলকাতা থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে অ্যাক্সেস হচ্ছে বলেও অভিযোগ।
আরও বলেন, “দিল্লির রাজনৈতিক প্রভুদের নির্দেশে লগইন অপব্যবহার করে নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে টার্গেট করা হচ্ছে। স্বাধীন তদন্তে লগইন ডিভাইসের টাওয়ার লোকেশন ও আইপি রোল অবজার্ভারের অবস্থান থেকে আলাদা প্রমাণিত হবে।” কমিশনের বৈধতা জনবিশ্বাস থেকে আসে, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে নয়—এটি আদালতে তুলবেন বলে জানান।“দিল্লির জমিদারদের সঙ্গে যুক্ত যেকোনো ব্যক্তি কঠোর আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবে। প্রস্তুত থাকুন!”—অভিযোগের শেষে এই হুঁশিয়ারি দেন অভিষেক। রাজনৈতিক মহলে বিজেপির দিকে ইঙ্গিত মনে করা হচ্ছে।
অভিযোগের পর তৃণমূলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল কলকাতায় কমিশন দফতরে অভিযোগ জানাতে যাচ্ছে। কমিশন সি. মুরুগনকে তলব করে ব্যাখ্যা চেয়েছে। SIR প্রক্রিয়ায় TMC-ECI সংঘাত তীব্র হয়েছে।
