Type Here to Get Search Results !

"রাজ্যের স্কুলগুলো কি ধর্মশালা?" - প্রশ্ন ব্রাত্য বসুর

 সম্পাদকীয় 



  নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয় নি। অথচ চলে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। খবরে প্রকাশ আগামী কাল আরো অনেক কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে। তাঁদের থাকার জায়গা বলতে একটি, রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলি। যার জেরে কার্যত লাটে ওঠে পড়াশোনা। ভোটমুখী বাংলায় আবার সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসার কথা শুনে কিছুটা ক্ষিপ্ত রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে কেন্দ্রকে খোঁচা দিলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বললেন, “কেন্দ্রীয় সরকার যদি মনে করে থাকে, স্কুলগুলিই একমাত্র ধর্মশালা। যা থেকে তাদের স্কুলশিক্ষা নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট। কেন্দ্রের নিশ্চয়ই বাহিনীর থাকার ব্যবস্থা নিয়ে কোনও ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সেই কারণে যদি এর জন্য রাজ্যের শিক্ষা ব্যাহত হোক, আমরা চাইব না।”


  তবে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী স্কুলকে ধর্মশালা বলে অভিহিত করায় পাল্টা খোঁচা দিয়েছে বিজেপি। এদিন সজল ঘোষ টিভি৯ বাংলাকে বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী চিরকাল স্কুল-কলেজে থাকত। উনি স্কুলকে ধর্মশালা বলছেন, এটা শুনতে খারাপ লাগে। কারণ ব্রাত্য বাবুর নির্দেশে ৮ হাজার ২০০ স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। স্কুলগুলো কি স্কুল রয়েছে? এখানে কি শিক্ষা রয়েছে?”

উল্লেখ্য, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে। তার আগে বাংলায় ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার সম্ভবনা। বীরভূমে আসছে ৭ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ৫ কোম্পানি, কলকাতায় ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনেই কেবল ৪ কোম্পানি বাহিনী, পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। সব মিলিয়ে স্কুল বন্ধ, পড়াশুনা বন্ধ হতে চলেছে রাজ্যের।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.