সাংসদ সাগরিকা ঘোষের মেয়ের বিয়ে থেকে কি কল্যাণ-মহুয়ার নতুন রসায়ন শুরু হলো
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মহুয়া মৈত্র দুজনেই তৃণমূলের দাপুটে সাংসদ। অথচ দুজনের মধ্যে সম্পর্ক বেশ তিক্ত। বিশেষ করে মহুয়া সম্পর্কে একাধিকবার তীক্ষ্ণ কটূক্তি কল্যাণ করেছেন।
এবার তো সম্পূর্ণ উলট পুরাণ। সৌজন্যে সাগরিকা ঘোষের মেয়ের বিয়ে। গতবছর অগস্ট মাসের কথা। রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডে তৃণমূলের নতুন পার্টি অফিসের সামনে জড়ো হয় একের পর এক সাংসদদের গাড়ি। সেদিন ভার্চুয়াল বৈঠক করার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। কার্যালয়ের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্যায়। এই সময় কার্যালয়ের গেটে ঢুকল একটি গাড়ি। নামলেন মহুয়া মৈত্র। আর এদিকে কল্যাণ বলে উঠলেন, “কার মুখ দেখলাম, আজ দিনটাই গেল…।” নেই কোনও রাখঢাক, সবটাই একেবারে সোজাসাপ্টা। সেই রাগ নেই ক্ষোভও নেই। এখন বেশ মধুর সম্পর্ক। আর সেই প্রমাণ পাওয়া গেল ওই বিয়ে বাড়িতে।
কল্যাণ ও মহুয়া যথেষ্ট ঘনিষ্ট হয়েই হাসাহাসি করছে। দেখে বোঝা যাচ্ছে একে অপরের কথাকে এনজয় করছেন। এখন হয়তো পরিস্থিতি বদলেছে। রবিবার তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষের মেয়ের বিয়ের ছবি দেখে তো তেমনই বলছেন তৃণমূলেরই একাংশ। “মুখ দেখতে না-চাওয়া” কল্যাণের, ওই বিয়েবাড়িতে তোলা ৯০ ভাগ ছবিতে পাশে মহুয়া মৈত্র। তা হলে এখানে কি দ্বন্দ্বের ইতি? ছবিগুলি তো কিছুটা ওই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। কখনও এক মুখ হাসি, কখনও হালকা মেজাজে খোশগল্প। কখনও যাওয়ার পথে একে অপরের দিকে ঘুরে তাকানো। কল্যাণ-মহুয়া রাজনৈতিক পর্বের এই অধ্যায় তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কাছেও ‘অপরিচিত’। নির্বাচনের আগে দুই সাংসদের মধ্যে আবার বন্ধুত্ব দলের পক্ষে ভালোই হবে।
