আন্তর্জাতিক
শর্ত সাপেক্ষে আমেরিকার সঙ্গে পারমানবিক চুক্তিতে রাজী ইরান
মধ্যপ্রাচ্যে কি আবার যুদ্ধের দামামা বাজতে চলেছে। আবার কি মার্কিন ও ইরান যুদ্ধের মুখোমুখি হবে। সম্ভাবনা একদম উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘ টালবাহানার পর যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে অবশেষে আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু চুক্তিতে রাজি ইরান! সম্প্রতি এমনই বার্তা দিয়েছেন ইরানের পরমাণু শক্তি সংগঠনের প্রধান মহম্মদ ইসলামি। সোমবার বিবৃতি জারি করে তাঁর বার্তা, যদি ইরানের উপর থাকা যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ৬০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে রাজি তারা। পরমাণু চুক্তি নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা শুরু হওয়ার পরই প্রকাশ্যে এসেছে ইরানের এই বিবৃতি।ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ-র রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইসলামিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল ইরান কি আমেরিকার দাবি মতো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ৬০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনবে?
উত্তরে আমেরিকার কোর্টে বল ফেলে ওই আধিকারিক জানান, আমাদের উপর যে সব নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে তা প্রত্যাহার করা হবে কি না, তার উপরেই গোটা বিষয়টি নির্ভর করছে। যদিও ওই আধিকারিক স্পষ্ট করেননি, ইরানের উপর জারি হওয়া সমস্ত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা না কি শুধুমাত্র আমেরিকার দ্বারা জারি করা নিষেধাজ্ঞা। উল্লেখ্য, গত বছরের জুন মাসে ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন আমেরিকা ইরানের পরমাণু ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালায়। অভিযোগ তোলা হয় ইরান ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে। অথচ ২০১৫ সালের আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী ৩.৬৭ শতাংশের বেশি পরিশোধন করতে পারবে না ইরান। সেখানে ইউরেনিয়ামের ৬০ শতাংশ পরিশোধনের অর্থ হল পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা। যদিও ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
