Type Here to Get Search Results !

বিশ্ববাজারে তেলের অবস্থা টাল-মাটাল হতে চলেছে

 বিশ্ববাজারে তেলের অবস্থা টাল-মাটাল হতে চলেছে 



  যেকোনো যুদ্ধের প্রভাব হয় দু'রকম - প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইজরাইলের যুদ্ধের পরোক্ষ প্রভাবে ভারত সহ সারা বিশ্বের তেলের বাজার একদম উল্টোপাল্টে যেতে পারে। একযোগে ইরানের উপরে হামলা করেছে ইজরায়েল-আমেরিকা। তার প্রত্যাঘাতে আমেরিকার সাতটি বন্ধু দেশ- জর্ডন, কুয়েত, কাতার, বাহরিন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে মার্কিন ঘাঁটি থেকে শুরু করে হোটেল-বহুতল লক্ষ্য করে মিসাইল ছুড়েছে ইরান। এবার আরও বড় সিদ্ধান্ত। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভেলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, কোনও জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে পারবে না। এর জেরে বিশ্ব বাজারে তেল লেনদেনে বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা। কারণ মাত্র ৫০ কিলোমিটার চওড়া এই সরু খালের মতো পথ দিয়েই বিশ্বের ২০ শতাংশ তেলের আমদানি-রফতানিই এই রুটের মাধ্যমে হয়। 


  বিশ্বে প্রতি পাঁচটি ব্যারেলের মধ্যে একটি ব্যারেল হরমুজ প্রণালীর মধ্যে দিয়ে আসে। সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, ইরান- তেলের ভাণ্ডারের উপরে অবস্থিত মধ্য প্রাচ্যের প্রায় সমস্ত দেশই হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমেই তেল রফতানি করে। এই তেল আসে এশিয়ার বাজারে। মূলত ভারত, চিন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় তেল রফতানি করা হয়। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় চাপে পড়বে ভারতও, কারণ তাদের তেলের ভাণ্ডার প্রায় ফাঁকা। সূত্রের খবর, ভারতের কাছে যতটা তেলের রিজার্ভ আছে, তাতে ৭৪ দিনের জন্য অন্তর্দেশীয় চাহিদা মেটাতে পারবে। তারপর অন্য় কোথাও থেকে তেল জোগাড় করতে হবে। তেলের ভাঁড়ার শেষ হয়ে গেলে খরচ বাড়বে অনেকটাই। স্বাভাবিক কারণে ভারতের চিন্তার যথেষ্ট চিন্তার কারণ আছে। ইতিমধ্যে ভারত এই যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য সকলকেই আবেদন করেছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.