অবশেষে খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল ইরানের স্টেট টিভিও
একটা অতি ভয়ঙ্কর খবর। ইরানের পক্ষে এই খবর যথেষ্ট মর্মান্তিক। ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ হামলায় মৃত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই (Ayatollah Ali Khamenei)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই এই দাবি করেছিলেন। অবশেষে খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল ইরানের স্টেট টিভিও। খামেনেইয়ের মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের ঘোষণা করা হয়েছে। গতকালের হামলায় খামেনেইয়ের পাশাপাশি তাঁর মেয়ে, জামাই ও নাতির মৃত্যু হয়েছে। স্বাভাবিক কারণেই প্রবল উত্তেজনায় ফুটছে ইরান। মার্কিন দাদাগিরি সহ্যর সীমা ছাড়াচ্ছে। আজ, রবিবার সকালে ইরানের স্টেট ব্রডকাস্টার আইআরআইবি ঘোষণা করে, “ইরানের সুপ্রিম লিডার শহিদ হয়েছেন”। আরেক ইরানি নিউজ এজেন্সি ফার্স, যারা সরাসরি ইরানের ইসলামিক রেভেনিউশনারি গার্ড কর্পসের সঙ্গে যুক্ত, তারা জানিয়েছে, ইরানের সুপ্রিম লিডারের বাসভবনে যে হামলা চালানো হয়েছিল, তাতেই প্রাণ হারিয়েছেন খামেনেই।
ইসলামিক রিপাবলিকের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন খামেনেই। ১৯৮৯ সাল থেকে শক্ত হাতে তিনি ইরান সামলাচ্ছিলেন। যেহেতু খামেনেই তাঁর কোনও উত্তরসূরী ঘোষণা করে যাননি, তাই ইরানের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। বাড়বে যুদ্ধের আঁচও। আমেরিকা, ইজরায়েলের উপরে আরও বড় হামলা করতে পারে ইরান। এমনকী, পরমাণু হামলার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এই যুদ্ধের আঁচ গোটা বিশ্বের উপরে পড়তে পারে। গতকালই জানা যায় যে ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ অভিযানে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আমির নাসিরজাদাহ ও রেভেনিউশনারি গার্ডের কম্যান্ডার মহম্মদ পাকপৌরের মৃত্যু হয়েছে। ইজরায়েলের মিলিটারির দাবি, তারা ইরানের আরও পাঁচ আধিকারিককে নিকেশ করেছে। এই মুহূর্তে সারা বিশ্বের উচিত এই যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য সচেষ্ট হওয়া। অন্যথায় এর থেকেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে।
