একেই বলে রাজনীতি! আজ যে শত্রু, কাল সে বন্ধু! তা না হলে যে রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের 'আহি নকুলের সম্পর্ক' ছিল সেই রাজ্যপালের কাছে পুষ্পস্তবক নিয়ে পৌঁছে গেলেন কুনাল ঘোষ! পদত্যাগের পর রবিবার সস্ত্রীক কলকাতায় পৌঁছেছেন তিনি। তারপরই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পৌঁছে গেলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের ছবি পোস্ট করেছেন কুণাল। একইসঙ্গে লেখেন, “অভিমানে লোকভবনে যাননি সিভি আনন্দ বোস।” বাংলার রাজ্যপালের পদ থেকে আনন্দ বোসের ইস্তফা দেওয়ার কারণ নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। আবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল বলেন, “সিভি আনন্দ বোসকে কেন সরানো হয়েছে আমি সব জানি। কিন্তু বলব না। ভয় দেখানো হয়েছে, থ্রেট করা হয়েছে। একটু আমি বলতে পারি।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রীকে ফোনে জানান যে রাজ্যপাল পদত্যাগ করেছেন। আর তখন থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। এদিন কলকাতায় পৌঁছে তাঁর পদত্যাগ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি সদ্য প্রাক্তন রাজ্যপাল বোসও। তিনি বলেন, “ভেবেচিন্তেই পদত্যাগ করেছি। কারণটা কনফিডেন্সিয়াল (গোপন), ঠিক সময় এলে বলা হবে।” এই আবহে এদিন আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করেন কুণাল ঘোষ। পরে বাংলার সদ্য প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে ছবি দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “সদ্য প্রাক্তন রাজ্যপাল ডঃ সি ভি আনন্দ বোস কলকাতায়। তীব্র অভিমানে রাজভবনে যাননি। শ্রীমতী বোস রাজভবনে গেছেন জিনিসপত্র গোছাতে। ততক্ষণ তাঁর সঙ্গে গল্প।” আনন্দ বোস যে বাংলার ভোটার হয়েছেন, সেকথা জানিয়ে কুণাল আরও লেখেন, “শেষে বললাম, ‘আপনি বাংলার ভোটার। ভোট দিতে আসতে হবে।’ ডঃ বোস বললেন,’ আসব। ভোট দেব কলকাতাতেই।''