Type Here to Get Search Results !

টলিউডের ফেলুদা টোটা রায়চৌধুরীর স্মৃতিতে রাহুল

 বিনোদন 


টলিউডের ফেলুদা টোটা রায়চৌধুরীর স্মৃতিতে রাহুল 



   রাহুলের মৃত্যুর খবর প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি অভিনেতা টোটা রায়চৌধুরী। ভেবেছিলেন, কেউ রসিকতা করছেন বা ভুয়ো খবর। কিন্তু যখন সত্যিটা জানতে পারলেন, পায়ের তলা থেকে যেন মাটি সরে গিয়েছিল টলিউডের ফেলুদার। চোখের সামনে তাঁর ধরা দিচ্ছিল একের পর এক ছবি, রাহুলের সঙ্গে প্রথম দেখা, প্রথম অভিনয়। সব কিছুই যেন চোখের পর্দায় ধরা দিচ্ছিল। সেই সব নস্টালজিয়াকে একসঙ্গে করে টোটা ফেসবুকে কলম ধরলেন। লিখলেন, রাহুলের কথা। ফেসবুকে এক লম্বা পোস্টে টোটা লিখলেন, ”ফোনে খবরটা শুনে বেশ রূঢ়ভাবেই বললাম যে এ ধরনের স্থূল রসিকতা শোনার বয়স বা মানসিকতা কোনোটাই আমার নেই। অপর প্রান্তে ইন্ডাস্ট্রির এক অনুজ খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে ধরা গলায় বলল সোশ্যাল মিডিয়া খুলে দেখতে। নির্ভরযোগ্য দুটো খবরের পোর্টাল পড়ে অবসন্ন হয়ে পড়লাম। টুকরো টুকরো কতকগুলো ঘটনা যেন চোখের সামনে দিয়ে দ্রুতগতিতে বেরিয়ে যেতে লাগল।” 


  প্রথম দেখাতেই মুগ্ধ হয়েছিলেন রাহুলের সারল্য় ও ভদ্রতায়। টোটা লিখলেন, ”১৩ই অগাস্ট ২০০৮। বুধবার। তারিখটা মনে আছে তার কারণ ঠিক দুদিন পরেই বিজয়গড় কলোনির এক সাধারণ ছেলে রাতারাতি বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের নয়নের মণি হয়ে উঠবে। সম্ভবত ইস্টবেঙ্গল মাঠে, ফুটবল ভেটেরেন্স বনাম আর্টিস্ট ফোরামের এক প্রদর্শনী ম্যাচ। খেলা শুরু হবার আগে হঠাৎ করে আমাদের টিমের এক সহ খেলোয়াড় ঝুপ করে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে বলল, দাদা আমি অরুণোদয়। আমি হতচকিত হয়েও সামলে নিয়ে বললাম, তোমার ছবির ট্রেলারটা দারুণ লাগলো। আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল। ও তখন হাত দুটো ধরে বলল, আশীর্বাদ করো দাদা। প্রথম দেখাতেই মুগ্ধ হয়েছিলেন রাহুলের ভদ্রতায়। টোটা লিখলেন, ”১৩ই অগাস্ট ২০০৮। বুধবার। তারিখটা মনে আছে তার কারণ ঠিক দুদিন পরেই বিজয়গড় কলোনির এক সাধারণ ছেলে রাতারাতি বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের নয়নের মণি হয়ে উঠবে। সম্ভবত ইস্টবেঙ্গল মাঠে, ফুটবল ভেটেরেন্স বনাম আর্টিস্ট ফোরামের এক প্রদর্শনী ম্যাচ। খেলা শুরু হবার আগে হঠাৎ করে আমাদের টিমের এক সহ খেলোয়াড় ঝুপ করে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে বলল, দাদা আমি অরুণোদয়। আমি হতচকিত হয়েও সামলে নিয়ে বললাম, তোমার ছবির ট্রেলারটা দারুণ লাগলো। আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল। ও তখন হাত দুটো ধরে বলল, আশীর্বাদ করো দাদা। তারপর বছর দেড়েক বাদে ফোন করে বলল, টোটাদা, ১৯১১ সালের মোহনবাগানের সেই ঐতিহাসিক শিল্ড জয় নিয়ে একটা ছবি করার কথা ভাবছি। তুমি গোষ্ঠ পালের রোলটা করবে? আমি এক কথায় রাজি হওয়াতে আমতা আমতা করে জিজ্ঞেস করল; ইয়ে, কত বাজেট ধরব তোমার? আমি হেসে বললাম, তোমার পছন্দের সংখ্যা চেক-এ বসিয়ে দিও। খানিক নিস্তব্ধতার পর ওর স্বভাবসিদ্ধ উচ্ছাস সমেত একটা জোরালো থ্যাংক ইউ!"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.