Type Here to Get Search Results !

ইরানের আক্রমনে সৌদি ও কাতারের তৈলখানিগুলো জ্বলছে

 আন্তর্জাতিক 


ইরানের আক্রমনে সৌদি ও কাতারের তৈলখানিগুলো জ্বলছে 



  এই মুহূর্তর ইজরাইল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমনে আহত বাঘের মতো অবস্থা ইরানের। আর ইরানের পাল্টা আক্রমনে দিশেহারা মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ। কথায় আছে, আহত বাঘের হিংস্রতা ভয়ানক। আজ ইরানের দিকে তাকালে সেটাই যেন বারবার ফুটে উঠছে। দিনের পর দিন ‘আহত’ ইরানের কৌশলি প্রত্যাঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে যাচ্ছে গোটা পৃথিবী। সেই সঙ্গে বাড়ছে সংকট। বুধবার রাতে কাতারের প্রাকৃতিক গ্যাসের বৃহত্তম ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র চালায় তেহরান। তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কাতার এবং সৌদি আরবের তেল শোধনাগারগুলিকে পরপর আক্রমণ করল ইরনি সেনা।সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে অবস্থিত সৌদির সরকারি তেল পরিশোধন সংস্থা আরামকোর সামরেফ শোধনাগারটি বিমান হামলা চালিয়েছে তেহরান। এর ফলে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। কারণ, গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে রেখেছে ইরান। 


  এই পরিস্থিতিতে বিকল্প পথ হিসাবে উঠে এসেছে সৌদির ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু এবার সেখানেই হামলা চালাল ইরান। সৌদির পাশাপাশি কুয়েতের মিনা আল আহমাদি তেল শোধনাগারেও আক্রমণ করেছে তেহরান। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ভারতে এমনিতেই গ্যাস সংকট তৈরি হয়েছে। কিন্তু ইরানের ‘জ্বালানি যুদ্ধে’ পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বিশেষ করে বুধবার রাতে কাতারের প্রাকৃতিক গ্যাসের বৃহত্তম ঘাঁটিতে হামলার পর। কারণ, দেশের মোট প্রাকৃতিক গ্যাসের ৫০ শতাংশ আসে বাইরে থেকে। শুধু তা-ই নয়, প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য কাতারের উপর ভারত ভীষণভাবে নির্ভরশীল। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ কিরিট পারিখ বলেন, “এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ভারতে গ্যাসের ব্যবহার কমাতে হতে পারে, বিশেষ করে শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.