Type Here to Get Search Results !

বাসন্তী পুজো ২০২৬ - কিছু প্রাসঙ্গিক তথ্য

 বাসন্তী পুজো ২০২৬ - কিছু প্রাসঙ্গিক তথ্য 



  ঋতুরাজ বসন্তের আমেজ চারদিকে। আর এই বসন্তের আগমনেই বাঙালির ঘরে বেজে ওঠে দেবী আরাধনার সুর। শারদীয়া দুর্গোৎসবের জাঁকজমক এখন বিশ্বজনীন হলেও, শাস্ত্র মতে বাঙালির আদি পুজো কিন্তু এই বাসন্তী পুজোই। রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি প্রথম চৈত্র মাসেই মৃন্ময়ী রূপে চিন্ময়ীর আরাধনা করেছিলেন। চৈত্র মাসের দুর্গাপুজো বসন্তকালে হয় বলে একে বাসন্তীপুজোও বলা হয়। 

আসন্ন চৈত্র নবরাত্রি ও বাসন্তী পুজো ঘিরে এখন ভক্তদের মনে কৌতূহল— মা কীসে আসছেন আর কীসে তাঁর গমন? কেমন কাটবে আগামী দিনগুলো?


  আসন্ন বাসন্তী পুজোর নির্ঘণ্ট ও শাস্ত্রীয় পূর্বাভাস


  * বোধনের ষষ্ঠী: আগামী ২৪ মার্চ। এই দিন থেকেই দেবীর মর্ত্যে আবাহন শুরু হবে।


  * বিজয়া দশমী: ২৮ মার্চ, শনিবার। এই দিনই মা মর্ত্যলোক ত্যাগ করে কৈলাসে পাড়ি দেবেন।


  * রীতিনীতি

শারদীয়া পুজোর মতোই ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত প্রতিটি তিথি শাস্ত্রীয় নিয়ম ও নিষ্ঠার সঙ্গেই পালিত হবে।


  * দেবীর আগমন: দোলা বা পালকি - 

শাস্ত্রীয় গণনা বলছে, এই বছর দেবীর আগমন ঘটছে পালকি বা দোলায়। অর্থাৎ ভক্তদের কাঁধে চেপেই মর্ত্যে পদার্পণ করবেন দুর্গতিনাশিনী। তবে শাস্ত্র মতে পালকিতে দেবীর আগমন খুব একটা শুভ ইঙ্গিত বহন করে না।


  * পূর্বাভাস: দোলায় আগমনের ফল হিসেবে মহামারী বা রোগব্যাধির প্রকোপ বাড়তে পারে।


  * আর্থিক দশা: ব্যবসায় মন্দাভাব ও দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সংকটের আশঙ্কা থাকে


  * দেবীর গমন: গজ বা হাতি

আগমন আশঙ্কাজনক হলেও, বিদায়বেলায় দেবী দিয়ে যাচ্ছেন আশার আলো। এবারের বাসন্তী পুজোয় মায়ের গমন হবে গজে বা হাতিতে। শাস্ত্র অনুসারে গজে দেবীর বিদায় অত্যন্ত মঙ্গলদায়ক।


  * শুভ ফল: দেবীর গজবাহনে গমনের ফলে ধরিত্রী শস্যশ্যামলা হয়ে ওঠে। কৃষিকাজে ভালো ফলনের যোগ তৈরি হয়।


  * সমৃদ্ধি: মনে করা হয়, বিদায়কালে দেবী মর্ত্যবাসীকে সুখ, সমৃদ্ধি ও ধনসম্পদের বর দিয়ে যাবেন।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.