সিইও রাজ্যের কোনো কোনো জায়গায় নিজেই ঘুরে ঘুরে দেখতে চাইলেন। এটা কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু কোনো দলীয় মানুষদের নিয়ে ঘোরা কিছুটা হলেও তো নির্বাচনী বিধিভঙ্গ। নন্দীগ্রামে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ নেতার সঙ্গে ঘুরেছেন মনোজ আগরওয়াল। গত সোমবার এমন অভিযোগেই সরব হন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচার মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “শুনলাম সিইও নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন। বিজেপির লোকেরা সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছেন।” নেত্রী এ কথা বলার পর মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও কুণাল ঘোষ। চন্দ্রিমা বলেন, “তপন মহাপাত্রের সঙ্গে ছিলেন সিইও। ওই নেতাকে বিরোধী দলনেতার ঘনিষ্ঠ বলে সবাই জানেন, তাঁর সঙ্গেই বেড়ালেন নন্দীগ্রামে।” এভাবে বিজেপির সুপারিশ করা লোকদের ঢুকিয়ে ভোটে কারচুপি করার চেষ্টা হচ্ছে বলে দাবি করেন কুণাল ঘোষ।
শুভেন্দু অধিকারী সেই অভিযোগ সম্পর্কে উত্তর দিতে গিয়ে বলেন, “গায়ে কি বিজেপির পতাকা ছিল? এইসব কথার উত্তর দেব না। বিজেপির লোকেরাই ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন হয়েছেন। তাঁদের কাছে কোনও সাংবিধানিক আধিকারিক যেতে পারবেন না?” আর এসবের পর মঙ্গলবারই দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দফতরে চিঠি পাঠায় তৃণমূল। সিইও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ, হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় ঘুরেছেন সিইও, ভোটারদের থেকে মতামত জানতে চেয়েছেন। বিজেপির কালীচরণপুর এরিয়া কমিটির কনভেনার তপন কুমার মহাপাত্রের সঙ্গে ঘুরেছেন। তিনিই সিইও-কে বাড়ি বাড়ি নিয়ে গিয়েছেন বলে দাবি তৃণমূলের।