আদৌ এটা সম্ভব কিনা তা নিয়র প্রশ্ন উঠতে পারে। এভাবে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন একটা প্রণালীর নাম কি নিজের নামে করা যায়? কিন্তু ট্রাম্প কার কথা মানেন ? কোন আইন মানেন? হরমুজ প্রণালী ঘিরে জট খোলার আর নাম নেই। বরং উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার প্রণালীর নাম বদলে নিজের নামে করে ফেলেছেন! গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের নাম দিয়েছেন ‘ট্রাম্প প্রণালী’। আর তারপরই ইরানের রহস্যময় সতর্কবার্তা ‘ঝড় আসছে’! এই সংঘাতের মাঝেই যে গভীর প্রশ্নটা উঠে আসছে তা হল, বর্তমানে এই প্রণালীটির প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ আসলে কার হাতে? ট্রাম্প তাঁর সোশাল মিডিয়া ট্রুথ সোশালে ওই মানচিত্র পোস্ট করেছেন। সেখানেই জ্বলজ্বল করছে ‘ট্রাম্প প্রণালী’! তবে প্রথমে ‘আইস্ট্যান্ডউইথট্রাম্প৪৭’ নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছিল সেটি। পরে তা নিজের ওয়ালে শেয়ার করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এভাবেই কি ট্রাম্প জোর করে প্রণালী দখলের বার্তা দিলেন?
যদিও আগে থেকেই আমেরিকার দাবি, তাদের হাতেই নিয়ন্ত্রণ! এবং এর সমর্থনে সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানও দিচ্ছে তারা। জানিয়েছে, ৪২টি জাহাজকে ভিন্ন পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৬৯ মিলিয়ন ব্যারেল তেল প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কোটি কোটি ডলার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে ইরান। যদিও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ইঙ্গিত, এর মাঝেই বহু জাহাজ ওই অবরোধের ‘ফাঁদ’ কেটে বেরিয়েও যাচ্ছে। ফলে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে- এটাই কি একচ্ছত্র আধিপত্যের নিদর্শন? নাকি আসলে প্রণালী ঘিরে চলছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা? কেননা ইরানও কিন্তু চুপচাপ বসে থাকছে না। ইতিমধ্যেই ‘নজিরবিহীন পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। জানিয়েছে ‘ঝড় আসছে’!