বিধাননগর কলেজ স্ট্রংরুমে তৃণমূল-বিজেপির ব্যাপক সংঘর্ষ
২ পর্বে ভোট মিটেছে। এবার গণনা! দুই দল কেউ কাউকে 'সুচাগ্র মেদিনী' ছাড়বে না। আর এর পরিণামে গন্ডগোল আপরিহার্য। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, তৃণমূল-বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ। সূত্রের খবর, শুরুতে দুই দলের কর্মী সমর্থকদের বচসাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে স্ট্রংরুমের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। উঠতে থাকে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান। কিছু সময়ের মধ্য়েই পরিস্থিতি একেবারে হাতাহাতিতে গড়ায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রচুর জওয়ান। ছুটে আসে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে গোটা জমায়েতকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। আসল কথা এভাবে হাতাহাতি মারামারি করে কাউন্টিং পর্যন্ত দুই দলের কর্মীদের চাঙ্গা রাখাই নেতাদের উদ্দেশ্য।
বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়, যার জেরে শুরু হয় বচসা। পরে তা হাতাহাতিতে পৌঁছায়। অন্যদিকে তৃণমূলের বিজেপির বিরুদ্ধে সুর তো চড়াচ্ছে, সঙ্গে আবার কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় বাহিনী বিরুদ্ধেও আঙুল তুলছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। ঘটনায় দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। স্ট্রংরুমে নিরাপত্তা তো বাড়ছেই সঙ্গে কড়াকড়ি বাড়ছে গণনাকেন্দ্রগুলিতেও। ইতিমধ্যেই পূর্ব মেদিনীপুরে চার গণনা কেন্দ্র নো ফ্রাইং জোন ঘোষণা করলো প্রশাসন। ফাটানো যাবে না বাজি, করা যাবে না বিজয় মিছিল। গণনাকেন্দ্রগুলির কাছে জারি ১৬৩ ধারা। জেলা জুড়ে চলছে পুলিশের মাইকিং। অন্যদিকে স্ট্রংরুম, গণনা নিয়ে যাতে কোনও বিতর্ক তৈরি না হয় সেকারণেই শনিবার সর্বদলীয় বৈঠক করলেন মালদহের জেলা শাসক। প্রার্থীদের ঘুরিয়ে দেখালেন গণনা কেন্দ্র,স্ট্রং রুম। কোনও দলের পক্ষ থেকেই তেমন কোনও অভিযোগ করা হয়নি।
