কলকাতা পৌরসভার সমস্ত তৃণমূল কাউন্সিলার দের ডেকে পাঠিয়েছেন মমতা
এবার সামনা সামনি যুদ্ধটা এসে দাঁড়িয়েছে কলকাতায় কর্পোরেশনকে নিয়ে। বিশেষ করে অভিষেকের বাড়িতে নোটিশ পাঠানো নিয়ে। শুক্রবার বিকেল চারটের সময় সেই বৈঠক হতে চলেছে বলে খবর। মেয়রকে অন্ধকারে রেখে পুরসভা নোটিস দিল কীভাবে সেই প্রশ্ন কালীঘাটে বিধায়কদের বৈঠকে আগেই তুলেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশও করেছিলেন। পুরনিগমের ক্ষমতায় বসেও এই খবরগুলো কেন পাওয়া যাচ্ছে না সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা। যদিও এরইমধ্যে সাংবাদিকদেরও মুখোমুখি হয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেখানে তিনি স্পষ্টতই বলেন, “কেএমসি বিল্ডিং বিভাগ কাকে নোটিস দেবে কাকে দেবে না, নোটিসে কী সেকশন এটা আমার এক্তিয়ারের মধ্যে নেই। মেয়রকে তো জানানোর কথাও নয়।”
এ নিয়ে যখন তুঙ্গে চর্চা তখন কালীঘাটের বৈঠক যে নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বর্তমানে ৩ জন নির্দল নিয়ে তৃণমূলের মোট ১৩৮ জন কাউন্সিলর। তার মধ্যে দু’জন মৃত। অর্থাৎ মোট কাউন্সিলর থাকার কথা ১৩৬ জন। তাহলে কী রাজনৈতিকভাবে চাপ বাড়ছে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের উপর? কলকাতা পুরসভা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তৃণমূল নেতৃত্ব? বৈঠক ঘিরে চর্চা তুঙ্গে। এরইমধ্যে আবার এদিন কলকাতা পুরসভার নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে আচমকা উধাও হয়ে যায় মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ছবি। পরে আবার তা ফিরেও আসে। তা নিয়েও চর্চা চলে। পাশাপাশি পালাবদলের পর পুরসভার প্রথম মাসিক অধিবেশনও বাতিলের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পান্ডে। বদলে করে দেওয়া হয়েছে পৌরসভার সচিব স্বপন কুন্ডুকেও। এরইমধ্যে অভিষেকের বাড়িতে পুরসভার নোটিশ পর্বে বোরো চেয়ারপার্সন পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন দেবলীনা বিশ্বাসও।
