Type Here to Get Search Results !

প্রায় ৫০০ বছর ধরে বিহারের এই গ্রামের মানুষেরা বিয়ে বাড়ি গেলে সঙ্গে খাবার নিয়ে যায়

 অফবিট 


প্রায় ৫০০ বছর ধরে বিহারের এই গ্রামের মানুষেরা বিয়ে বাড়ি গেলে সঙ্গে খাবার নিয়ে যায় 



  বিহারের (Bihar) ছিলিম গ্রাম, মতান্তরে চিলম (chilam bihar)। যুগের পর যুগ ধরে সেখানকার মানুষ শুদ্ধ শাকাহারি। অর্থাৎ, কোনও রকম আমিষ খাবার গ্রহণ করেন না তারা। নিষেধাজ্ঞা রয়েছে অ্যালকোহলেও। রোজের খাবারের মধ্যে প্রাধান্য পায় রুটি, ছাতু, শাকসবজি। এমনকী, বাঙালিদের মতোই, পিঁয়াজ-রসুনকেও আমিষের তালিকাতেই ধরেন তাঁরা। মাছ-মাংস যে কেবল খাওয়া যাবে না তা-ই নয়, সামান্য এক মুরগির পালকের ছোঁয়া লাগলেও স্নান সেরে, দেবতাদের উদ্দেশে ক্ষমা চেয়ে শুদ্ধ হতে হবে— মনে করেন চিলমবাসী। স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, গ্রামটির বয়স আনুমানিক ৫০০ বছর। বহুকাল আগে নাকি কোনও কোল-ভীল শাসকের কেল্লা ছিল সেখানে। বর্তমানে দেখতে পাওয়া যায় কেল্লার ধ্বংসাবশেষ। ধর্মগুরু মা গায়ত্রী ও জয় গুরুদেবের দীক্ষায় দিক্ষিত বেশিরভাগ গ্রামবাসী।


  চোদ্দটি ভিন্ন সম্প্রদায়ের বাস এই গ্রামে, কিন্তু নিরামিষ ভোজনের ক্ষেত্রে সকলেই একমত। কোনও পরিবার যদি গোপনে আমিষ রান্না করে, তবে তা জানাজানি হলে গ্রামবাসীদের কাছে ‘একঘরে’ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিপদে আপদেও কোনও গ্রামবাসী আর এসে দাঁড়াবে না সেই পরিবারের পাশে। মনে করা হয়, দেশের সবথেকে বড় নিরামিষভোজী অঞ্চলের মধ্যে অন্যতম চিলম। গ্রামের কোনও বাড়ির ছেলে অথবা মেয়ের বিবাহ যদি স্থির হয় অন্য কোনও গ্রামের বাসিন্দার সঙ্গে, তবে চিন্তায় পড়েন চিলমবাসী। যাওয়ার আগেই অনুষ্ঠানবাড়িতে পইপই করে জানানো হয়, অতিথিদের যে খাবার দেওয়া হবে, তাতে কোনও আমিষের ছোঁয়াটুকুও না থাকে!

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.