রাজ্য সরকারের মন্ত্রীসভার দপ্তর বন্টন সামনেই মাত্র ৫ জন মন্ত্রী নিয়ে
শুভেন্দু শুরু করেছে মন্ত্রীসভা। আর শুভেন্দুর নিজের হাতে আছে ৪৪টা দপ্তর। সূত্রের খবর এবার দপ্তর বন্টনের কাজ দ্রুত সেরে ফেলবেন শুভেন্দু। বর্তমানে নারী ও শিশুকল্যাণ এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন অগ্নিমিত্রা পল। দিলীপ ঘোষের কাঁধে রয়েছে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন, প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি দফতরের দায়িত্ব। অশোক কীর্তনিয়া সামলাচ্ছেন খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতর। নিশীথ প্রামাণিক ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়নের দায়িত্বে। আদিবাসী উন্নয়ন এবং অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ক্ষুদিরাম টুডুকে।
শুভেন্দু অধিকারী আপাতত হাতে রেখেছেন ৪৪টি দফতর। তালিকায় রয়েছে স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য, পরিবহণের মতো দফতরগুলি।
তবে জানা যাচ্ছে, এই ৫ মন্ত্রীর কাঁধ থেকে কিছুটা কমানো হবে দায়িত্ব। সূত্রের খবর, অগ্নিমিত্রা পলের হাত থেকে নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের দায়িত্ব সরিয়ে তা দেওয় হতে পারে শ্যামপুকুরের বিধায়ক পূর্ণিমা চক্রবর্তীকে। রত্না দেবনাথকে এই দফতরের দায়িত্বে নিয়ে আসার কথাও ভাবনাচিন্তায় রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে পুর ও নগরোন্নয়ন সজল ঘোষকে দেওয়ার কথা থাকলেও অগ্নিমিত্রার পারফর্ম্যান্স জবরদস্ত হওয়ায় দফতরের স্থায়ী মন্ত্রী তাঁকেই রাখা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে সূত্রের খবর, সজল পেতে পারেন সমবায়, ক্রেতা সুরক্ষার মতো কোনও একটি দফতর। আরও জানা যাচ্ছে, নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিংকে দেওয়া হতে পারে পরিবহণের দায়িত্ব। স্বরাষ্ট্র তো বটেই এমনকী স্বাস্থ্য দফতরও নিজের হাতেই রাখতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। ক্রীড়া ও যুবকল্যাণের দায়িত্ব নিশীথের হাত থেকে নিয়ে অশোক দিন্দাকে দেওয়া হতে পারে। আবার শিক্ষা দফতরের মন্ত্রী করা হতে পারে রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্তকে। আইনমন্ত্রী হিসেবে নাম রয়য়েছে রাজারহাট গোপালপুরের বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি এবং ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রী করা হতে পারে রুদ্রনীল ঘোষকে। সেক্ষেত্রে টালিগঞ্জের বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীকেও কোনও বড় দায়িত্ব দিতে পারে BJP।