নিজের পীঠ বাঁচাতে আবার আদালতে অভিষেক
কথায় বলে 'চাচা আপন প্রাণ প্রাণ বাঁচা'। এখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থা অনেকটা সেই রকম। দল ভাঙতে চলেছে। মমতা দল বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছেন আর ঠিক সেই সময় অভিষেক ব্যস্ত নিজেকে বাঁচাতে। বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে অস্বস্তির মধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সিআইডি-র নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করলেন তিনি। সিআইডি-র নোটিস খারিজের আবেদন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে সিআইডি যাতে গ্রেফতার না করে, সেই রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। মামলা দায়েরের অনুমতি দেন বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়। শুক্রবার মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা। বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যে শোরগোল পড়েছে। তদন্তে নেমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠিয়েছিল সিআইডি। সোমবার (১ মে) তাঁকে ভবানীভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, ওইদিন হাজিরা দেননি অভিষেক। সিআইডিকে চিঠি পাঠান। জানা গিয়েছে, হাজিরা দিতে না পারার জন্য নিজের অসুস্থতার কথা জানান।
ওইদিন বিকেলেই অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছে যান সিআইডি আধিকারিকরা। তবে ভিতরে ঢুকতে পারেননি। আধ ঘণ্টার বেশি অপেক্ষার পর অভিষেকের বাড়ি থেকে একজন বেরিয়ে আসেন। সিআইডি আধিকারিকদের কাছ থেকে একটি নোটিস নিয়ে ভিতরে ঢুকে যান। কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে জানান, সিআইডি-র নোটিস রিসিভ করেছেন অভিষেক। জানা যায়, অভিষেক ফের ভবানীভবনে আসার জন্য নোটিস দিয়ে আসেন সিআইডি আধিকারিকরা। আগামী ৮ জুন তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়। নোটিসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই এদিন হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক। নোটিস খারিজের আবেদন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়েছেন হাইকোর্টে। শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্ট কী নির্দেশ দেয়, সেটাই এখন দেখার।